কিছু কবিতা

যদি কখনো পরিচয় দিতে হয় তাহলে;

নিজের পরিচয় দিবেন।

কেননা বিখ্যাত মানুষ গুলো,

তারা তাদের নিজেদের পরিচয় দিয়েছিল।

সামীউল ইসলাম শামীম



ভিজুক যতো শুকনো মন

ঝড়ুক অঝোর বর্ষা ধারা

জাগুক মনে প্রেমের চারা

থাকুক বেঁচে সবুজ জন।


উড়ুক সকল হিংসা ধূলা

আসুক ধেয়ে মিলন জোয়ার

ভেসে যাক বিভেদ দুয়ার;

জমুক জীবনে খুশির মেলা।


আসুক শীতল আস্থা প্লাবন

ঘুচে যাক মনের মলিন কাদা

মুছুক কালো রাখুক সাদা

ফুটুক আলোয়; আশার ভুবন।



আশা সে তো মরীচিকা;

তবুও বুক ভরা আশা নিয়ে

অন্তহীন পথ চলা।

আশার কোন মৃত্যু হয় না

আশা আগামীর স্বপ্ন দেখায়,

নতুন করে পথ চলতে শেখায়।

আশার মাঝে জীবন মরণ

আশা সুখের মূল,

আশায় আশায় ঘর বাঁধে

আশায় ফোঁটে ফুল।

দুঃখ সুখের খেলায়,

আশাই একমাত্র ভেলা।



চাঁদের আলো বুকের মাঝে

ইচ্ছা জাগে সেই ক্ষণে

তোমার চোখের নিন্মচাপটা

সারাই; পুষ্প শোভার বনে।


এত অভিমান আছে জমা

এসো মিলবো দুজন আমরা

ভালবাসায় ভরিয়ে দেবো

চুলে দিও, রাঙা কৃষ্ণচূড়া।


আকাশ ভেঙে নামে বৃষ্টি

ভিজবো আমরা দুইজনে

এমন প্রেমের পরশ পেয়ে

সুখের নাগাল ছোঁবে মনে।



নীরবতা এক প্রশান্তির নাম

নিকষ নিশীথে সাদা মেঘ

নিস্তব্ধতা এক কোলাহলের নাম

জলরঙে ছেয়েছে আবেগ।


অপ্রাপ্তি এক বিরহের ঘ্রাণ

দূরের পথে সীমানা টানে

ঝাপসা দৃষ্টি এক বেহায়াপনা

অনিশ্চয়তাই যার দিব্যসৃষ্টি।


তবু একলা পথের নির্জনতায়

দক্ষিণের মৃদু হাওয়ায়

হৃদয় মাঝে, আল্পনা আঁকায়;



হারিয়ে যাচ্ছে চিরন্তনী সত্য সুখ

ক্ষণিক আসা চটুল হাওয়ায়

হিংসা লোভ বাড়তে চাওয়ায়।

হারিয়ে যাচ্ছে স্বচ্ছভাবে বেঁচে থাকা

আস্থা রাখার ভরসাস্থল

রুখে দাঁড়িয়ে লড়ার শক্তিবল।


আমরা শুধু ভাঙছি ভালোয়

আর গড়ছি মন্দে দিনকাল;

রুখতে হবে হারিয়ে যাওয়া

স্বপ্নমাখা ভোর সকাল।



কখনও কি ছুঁয়ে দেখেছ

স্বপ্নের কেমন মৃত্যু হয়?

অবহেলা আর অনাদরে কেন

জীবনটা এত বিষাদময়?

জীবন খাতার সব লেনাদেনা

বেহিসাবে কেন পরে রয়?

তবে কি সবই নাটকীয়তা

মিথ্যে সুখের অভিনয়?

ভেবেছে কি কেহ প্রানহীন দেহ

কতটা যাতনায় বেঁচে রয়?

প্রকৃত মৃত্যু হৃদয়েরই ঘটে

দেহের মৃত্যুই মৃত্যু নয়।☘



মুখ নেই আজ মুখোশের ভিড়ে 

ব্যস্ততা শুধু আছে

প্রিয়জন নামে যারা ছিল পাশে

তারাও বদলে গেছে!


হারানো মানুষ খুঁজে পাওয়া যায়

দিনবদলের ঝড়ে,

বদলে যাওয়া সে মানুষগুলোকে 

খুঁজবো কেমন করে! 🌙🥀




দিবা রাত্রি 

আগলে রাখি

সবার আগে দেশ🇧🇩

মাতৃভূমির প্রতিটি কণা🖇️

আমাদের বাংলাদেশ!

সামীউল ইসলাম শামীম 


কিছু কথা.........!

কিছু স্বপ্ন নিয়ে পথ চলা

কিছু আশা.......!

কিছু বিশ্বাস নিয়ে বেঁচে থাকা  

এই তো জীবন....!

সামীউল ইসলাম শামীম 



ডাইরিতে লেখা আছে জীবনের কথা;

সোনার কলমে লেখা হৃদয়ের ব‍্যথা।

জীবন থেকে মরনের পথে এক যাত্রা,

তারি সাক্ষী হয়ে থাকে ডাইরির পাতা।

 

বিষয়ে মূহুর্ত গুলো লিখে করি চিহ্নিত,

মনের নীরবতা তাই হয় ঝংকিত।

ভাবের জগতে মনের গোপন এই চলা,

সে কথা কখনো কাউকে যায় না বলা।

সামীউল ইসলাম শামীম 



      সন্ধ্যা জাগে

সামীউল ইসলাম শামীম 

এখন তোমার কেমন কাটে 

একলা একা রাতে 

কার সাথে রোজ গল্প করো 

সন্ধ্যা নামার সময়টাতে।


কেমন কাটে রাত্রি গুলো 

রাত জাগো কি স্মৃতির টানে 

এখনো কি ঘুম ভেঙ্গে যায় 

বৃষ্টি কিংবা ঝড়ের বানে


জানালা কি খোলা রাখো 

খোলা থাকে দোর কপাট 

কে টেনে দেয় ঘুমে কাঁথা 

শিশির হয় যখন জমাট।



কিছু স্বপ্ন হৃদয় জুড়ে,

খাচ্ছে আমায় কুঁড়ে কুঁড়ে। 

সামীউল ইসলাম শামীম





-- সফলতা ঠিকই আসবে,

--প্রত্যাহ কেটে গেলে;

ক্ষণিকের পড়ে

বিজয় বেঁশে!

----সামীউল ইসলাম শামীম


কবিতা লেখা বাকিঃ

চোরাবালি,ঘুমের প্রহর,মৃদু পথ,তরু-লতা,মোমবাতি,কালের দাফন,অসুস্থ জাতি,দূরবীন, 



জেনে শুনে ভুলের সাথে;

হাঁটছি কত পথ।

বুক পকেটে রাখছি তুলে;

ভুলের মতামত।


মাশুল গুনে কান্না চেপে,

দিন রাত্রি হাসি।

আমি হয়তো কষ্ট পেতে,

বড্ড ভালোবাসি।

সামীউল ইসলাম শামীম 



থাকলে কাছে কে আর বোঝে?

গেলে হারিয়ে তবেই খোঁজে...!!!

সামীউল ইসলাম শামীম 




একবার যদি কেউ;

বুজতে আমাকে।

কোনো দিনও আমি,

ছেড়ে যেতাম না শুধুই তাকে।


চোখে চোখে একবার তাকালে,

ঘুচে যেত দু:খ।

হাতে হাত রাখলে;

পাড়ি দিতাম অজানা অসুধ।


পায়ে পায়ে হাঁটলে দুজনে,

চলে যেতাম দুর বহুদূর।

পৃথিবীর সব সুখ খুঁজে এনে;

দিবো অমদ্রুর।




জীবনে বেঁচে থাকতে হলে অন্যর গুনগান গাও,

আর, বড় হতে চাইলে নিজের বদনাম ছড়াও।

সামীউল ইসলাম শামীম


ঠিক ততোদিন তুমি সফল হতে পারবে না,

যতোদিন না তুমি অন্যর জিনিস কেড়ে নিতে না পারবে।

সামীউল ইসলাম শামীম



যতোদিন না তুমি খারাপ মানুষ হতে পারবে,

ঠিক ততোদিন না তুমি ভালো মানুষ হতে পারবে।

সামীউল ইসলাম শামীম



যদি পায়ের নিচে পিসে মরতে চাও,

তাহলে ভদ্র ও নম্র হও।

সামীউল ইসলাম শামীম



মাথা উচু করে বাঁচতে হলে,

নিজের বুদ্ধিকে ব্যবহার করো।

সামীউল ইসলাম শামীম



আজকে হয়তো শূন্য বলে কেও দাম দেয় না,

সস্তা ভাবে;

কিন্তু একদিন ঠিকি পূর্ণ হবো?

তখন অন্যরা হিংসা করবে!

সামীউল ইসলাম শামীম




সময়ের মুখোমুখি অসময়ে,

রাত যায়, দিন আসে।

আলোর জন্য এত অন্ধকার;

জীবনে জন্ম আর মৃত্যু সার।


দিন এলো, রাতও আসবে-

সময়ের কাছে যায় থেকে।

আলো আসলে অন্ধকার ভাসে;

সময়ের অন্তর্গত ব্যক্তি তাসে।


সময়ে জন্ম আর মৃত্যু

সময়ের সাথে পরিণতি শুধু

সময়ের সৃষ্টি অবলীন

সময়ই সবাইকে করে পরিণত।



থেকে যাও আর কিছুক্ষন

এই মন বড্ড একলা এখন

পাশে থাকো তুমি যতক্ষণ

ভালো থাকি আমি ততক্ষণ।

এ যে সত্যি উচ্চারণ

তুমিই আমার ভালো থাকার কারণ

আমার হৃদয়ে বইছে এক নদী

তোমার ভালবাসায় নিরবধি;


ক্ষণে-ক্ষণে চলছে এখন

বিশ্বাস-অবিশ্বাসের খেলা

শরীর ছুঁলেই প্রেম হয়না

হৃদয়ের মিলনেই সৃষ্টি তা।



অবিন্যস্ত তোমার দুপুর;

ইচ্ছের ঘরে তালা..

আমার চুলে ফাঁস ফেলেছে

এ মরসুমের দুষ্টু হাওয়া!


তোমার চোখের চঞ্চল চাহনি

আমার চোখে, চোখ রেখেছে

চঞ্চলতা মেঘের ঘরে

বৃষ্টি হয়ে নামবে বলে।


জানালা দিয়ে গুমোট হাওয়া

পর্দা গুলোর গায়ে জড়ায়

আমিও সেই একই রকম

তোমাতে জড়াই যখন তখন।



আমার হৃদয় বাগানে

তুমি অঙ্কুরিত ফুল,

তোমার হাসির শব্দসঙ্গতি

আমার বেঁচে থাকার মূল।


যেখানেই তুমি-আমি

জড়িয়ে আছি,

দুটি আত্মার নাচে

একটি প্রদীপ শিখা ঝলমলে।


তোমার বাহুতে সময় স্থির

হৃদয় সচল, হাস্যোজ্বল

যেখানেই তুমি-আমি

সব ভয়, অশান্তি, বিবর্ণ অচল!




নিঃসঙ্গতা মানে একাকীত্ব নয়,

ছুটে আসছো তুমি।

নিঃসঙ্গতা মানে বন্ধ দুয়ারে-

অনবরত তোমার ডাকাডাকি।


নিঃসঙ্গতা মানে যখনই দুয়ার খুলি;

কেউ কোথাও নেই।

ছুটে চলছো তুমি নিরুদ্দেশে,

নিজেকে নিজে ভুলে।


নিঃসঙ্গতা মানে একা থাকা নয়,

স্মৃতির মালা গাঁথা।

তার মাঝে একা বসে তুমি;

তোমায় কেউ শুনছে না কথা।




    দাফন-কাফন

সামীউল ইসলাম শামীম

মৃত্যু হবে নিশ্চিত জানি,

শেষ বিদায়ে দেখতে এসো;

হেঁসো একটু খানি।


আস্ত দেহ পড়বে লুটায়,

একটু খানি পড়?

আপন-প্রিয় সব ছাড়িয়া;

কবর হবে ঘর।


একটু সময় চেক করিবে-

করিবেরে পালস?

অল্প খনে হাফ ছাড়িবে,

হয়ে যাবে লাস।


এ দুনিয়া মিছে মায়া,

নিয়ে ছিলে শ্বাস?

দম হাড়াবে,ঠান্ডা হবে;

ছাড়বে রে শেষ নিশ্বাস।


কাফন-দাফন দিবে তোমায়,

কাঁদবে রে যেজন।

মাটির দেহ মাটি খাবে,

পড়ে রবে আচরণ।


পাথর গলে বরফ হবে,

গলবে নারে আলোয়।

তার কবরে চলবে হিসেব,

দেখবে নারে কেহই।


থাকতে তোমার মূল্য দেয়নি,

বুঝে নারে কেহ?

সাড়ে তিন হাত মাটির ঘরে,

পড়ে রবে দেহ!


সব হারিয়ে খুজবে রে মন,

করবে আয়োজন।

প্রয়োজনে বুঝে নাইরে,

হয়নি প্রয়োজন।




যারা বল পুরুষ মানুষ কাঁদে না,

তারা শুধুই পাষাণ...?

কিছু মানুষ আপন থাকে;

চোখের পানিতে তারাই শুধু ভাসান।

সামীউল ইসলাম শামীম




খচিত হয় যে মনোঘর,

গভীর বিশ্বাসে।

আত্মার ছায়ে রচিত আলোয়,

স্বর্গের সুখ মিলে।


খুঁজে পায় মন স্বর্গের ছোঁয়া,

গভীর বন্ধনে।

বসে থাকে তখন অন্তর মন,

স্বর্ণ সিংহাসনে!


প্রেম ভালোবাসা বিধাতার দান, 

রাখিও তা যতনে?

খুঁজিতে হবে না আর স্বর্গ দুয়ার;

ধরাতেই পেয়ে যাবে।




সম্মান দিলে, সম্মান পাবে

ভালোবাসা দিলে, যত্ন পাবে

দিন রাত রঙিন হবে —

সবকিছু একসাথে মিলেমিশে।


দিনের সামনে রাত

রাতের পিছনে দিন,

হচ্ছে, হোক আমাদের

দিন রাত ভালোবাসায় রঙিন।


অচেনা দু'জন মিলে

পথ চলা জীবনের তরে,

বিশ্বাস রাখলে একে অপরের প্রতি

জীবন সর্বদাই সবুজে খেলে।




তুমি আমার জীবন জুড়ে,

ভীষণ কাছের কেউ।

তুমি আমার বিষন্ন মনে,

সুখ সাগরের ঢেউ।


তুমি আমার বৃষ্টি রোদে,

আগলে রাখার ছাদ।

তুমি আমার এই পৃথিবীতে,

বেঁচে থাকার স্বাদ।


তুমি আমার সবার মাঝে,

প্রিয় একটা মুখ।

তুমি আমার জীবন গল্পে,

এক পৃথিবী সুখ।




এসো আজ কানে কানে বলি

মনো মাঝে আছে যত কথা

অবিচল সত্য বলি, সত্যে চলি

দূর হোক যত আছে ব্যথা।


এসো আজ তাও ধ্যান করি

মন মাঝে ঢালো সব প্রাণ

কল্পনার রঙে মেশা স্বপ্ন সবি

ফিরে পাক আজ সব গান।


অঙ্গিকারে দাও আজ বানি

রাখো আজ হাতে হাত

নিস্পন্দ পৃথিবীর বুকে জানি

শুভ্রতার রঙে মিশে সাত রঙ।




পাখি হলে হয়না মন্দ তেমন

তুমি যদি হও আকাশ

ভাবিনি কখনই আমি

ঐ আকাশে ফেলব তৃপ্ত শ্বাস।


যেমন করে উড়ে বেড়ায় মেঘ

বৃষ্টি হয়ে ভরে নদীর বুক

তোমারও ঠিক এমনই উদ্বেগ

আমায় পেতে তুমিও উন্মুখ।


আকাশে নয় আছি হৃদয় জুড়ে

থাকব ফুটে পদ্ম ফুলের মত

আসবে যখন আমার কাছে ফিরে

ঘুচবে তোমার কষ্ট যত।




আঁধার কি তুমি জানো?

আঁধার হলো মূর্খতা

হতাশার ঝড়ে ভাঙে

জীবনের স্বপ্নটা।


আঁধারের রূপ নেই, নেই কোন রং

চোরাবালির মত সবই হারায় প্রতিক্ষণ

অনুভবের মৃত্যু, অনুভূতির ক্ষয়

উপলব্ধির হয় অবক্ষয়।


তাই আঁধার থেকে দূরে থাকো

জীবনকে ভালবাসো

প্রাণের আলোতে দূর হোক আঁধার

আলোর পথেই বাঁচো।




কর্ম ছাড়া জীবন মাঝে

ফুটে না তো সুখের ফুল-

কর্ম; হলো এই জীবনে

সফলতার প্রধান মূল।


কর্ম যদি সঠিক থাকে

মনের মাঝে থাকে সুখ,

অপকর্মে গড়লে জীবন-

ঘিরে রাখে কষ্ট দুখ।


সঠিক কর্মে গড়লে জীবন

কাটবে দিন চিন্তা ছাড়া,

মনের মাঝে বাজবে সদা

শান্তি সুখের মধুর বীণা।




চোখ খুলে ঘুমায় যারা

কে আর তাদের জাগায়,

চোখ থাকতে দেখে না যারা

কে আর জগৎ দেখায়।


পাশাপাশি তবুও যেন

মনের দূরত্ব বহু যোজন;

জটিল জটের বাঁধন ছিঁড়ে

সরল জীবন বাঁচছে ক'জন?


জীবন পথে পিছিয়ে যারা

মানুষেই তো দেয় হাত বাড়ায়ে,

একা একাই চলে না জীবন

সবাই ঋণী সবার কাছে।




আমার মতো অবুঝ ছোঁয়ায় 

কেউ কি তোমায় আঁকবে 

কেউ কি তোমায় আমার মতো 

আদর করে ডাকবে।


সকাল,দুপুর,রাতে,ভীষন ভালোবাসবে

হৃদয় ভাঙার শূন্যতাতেও 

সুখের ছোঁয়ায় ভাসাবে 

সস্তা প্রশ্ন জানি উত্তর না আসবে। 





কিছু মানুষ যতোটা সহানুভূতি দেখায়,

একটি সময় পড়ে দেখা যায় ঠিক ততোটা না।

সামীউল ইসলাম শামীম


..❝আমিও হারিয়ে যাবো❞..🥰

|| ..কোন এক গোধুলি বেলায়.. ||

যেমন করে সন্ধা নেমে এলে সূর্য পালায়«❞ 💔🥀

.সামীউল ইসলাম শামীম





পাখি ডাকা ভোর, খুলে দাও দোর,

দেখো পূবে রবি উঠে ঐ।

সোনা ঝরা রোদ কোমল সুবাস,

নিসর্গ জুড়ে হৈচৈ!


ফুলে ফুলে উড়ে প্রজাপতি ঘুরে,

মুগ্ধ করেছে প্রণয়ন।

তোমার জন্য এত সব কিছু,

প্রকৃতির যা আয়োজন।


সময়ের দান রেখে তার মান,

দক্ষ করে নাও নিজেকে।

রুটিন নিয়ম যতই মানবে,

সফলতা আসবেই দুয়ারে।




স্মৃতির ক্যানভাসে

আজও আছো আলো করে,

কথা হয় প্রাণ খুলে

মনপ্রাণ যায় ভরে।


গান হয়ে সেই কথা

মনোমাঝে আছে জ্বলে,

মন্থন করি রোজ,

সুর তুলে শুধু বাজে।


ক্যানভাসে রঙ ভরে

থাকবে সে আজীবন।

কথা হয় প্রতিদিন,

মনে মনে, প্রতিক্ষণ।



শিষ্টাচার একটি মহৎ গুণ। এগুলো পরিবার থেকে শেখাতে হয়। যদি আমরা আমাদের সন্তানদেরকে শিষ্টাচার শেখাতে না পারি তাহলে বাদ দেন, হোক সেটা চাকরি বা অন্যকিছু। সম্পদ দিয়ে কী হবে।

মনে রাখবেন-

একটি শিষ্টাচার, ভদ্র-নম্র সন্তান;

হাজারগুণ সম্পদের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সামীউল ইসলাম শামীম



একাকিত্বকে দিয়েছি বিদায়,

দিয়েছি আপন হাতে।

ধুয়ে মুছে নতুনত্ব পেয়েছি খুঁজে,

নিজের সুপ্রভাতে।


সৌন্দর্য কে ছুড়ে ফেলেছি,

পেয়েছি তোমার দেখা।

ঘুমন্ত বিবেক কে জাগিয়েছি,

এঁকেছি নতুন প্রান্ত রেখা।


ছেড়ে দিয়েছি সকল প্রভাব,

করিনি বিবর্তন।

বদ্ধ পানিতে করিনি স্নান,

করেছি নিজেকে পরিবর্তন।




শূন্যতা আসে দলবেঁধে,

পূর্ণতা আসে একা।

অন্তর দৃষ্টি ছাড়া যায় না মাপা,

যায় না তারে দেখা।

সামীউল ইসলাম শামীম




একটি অসৎ বন্ধুর চেয়ে, 

একটি ডায়েরি অনেক ভালো।

কারণ, বিপদের সময় বন্ধুও;

বন্ধু বলে পরিচয় দেয় না-

ছেড়ে চলে যায়।কিন্তুু একটি ডায়রি,

কাউকে কষ্ট দেয় না, সব সময় পাশে থাকে।

সামীউল ইসলাম শামীম




তুমি কী হবে প্রিয়,

রাখবে হাতে হাত।

চাঁদ-সূর্যকে সাক্ষী রেখে,

তোমাকে জানাই শুপ্রভাত।

সামীউল ইসলাম শামীম




যে থাকার সে থাকবে;

কথাটা সত্য নয়,

মানুষটাকে বুকে আগলে

রাখতে জানতে হয়।


মায়াহীন ভালোবাসা,

কখনো পায় না পূর্ণতা।

চারিদিকে ঘিরে থাকে শুধু।

শূন্যতা আর শূন্যতা।


পূর্ণতা ও শূন্যতার মাঝে,

এক সুঁতো ব্যবধান।

ভালোবাসার রঙ্গ-মঞ্চে

পূর্ণতারই জয়গান।




বুক ভরা প্রত্যাশায় বসে আছি,

এমন দুপুর ক্ষণে।

মন তোমার অপেক্ষায়,

তুমি আসবে কখন ফিরে।


তোমাকে পেয়েছি আমি সাধনায়,

আঁকা আঁখি পাতায়।

বাঁধলে ওগো আমায় তুমি,

তোমার স্বচ্ছ ভালোবাসায়।


অধরের কোনে মিষ্টি হাসিতে,

রেখেছি; আমি তোমায়।

হৃদয় আঙ্গিনায় আছো তুমি,

সুখে, দুঃখে, ভালোবাসায়।





আকাশের গায়ে কিছু যাযাবর মেঘ

আদিগন্ত; করছে লুকোচুরি খেলা,

আমাদের চোখে থমকে আছে আকাশ

সেখানে বসেছে তারকারাজির মেলা।


বিষাদ মেঘের কালো ছায়া দূর করে

ঝলমলে আলোয় খুঁজে পাই অন্তমিল,

আর কোনও মেঘে ছায়া ঘনাবেনা

সর্বদা থাকুক, এখানে আকাশ নীল।





একটি বিশুদ্ধ আলিঙ্গন

একটি হেরে যাওয়া মানুষকে

নতুন করে বাঁচতে শেখায়।


একটি বিশুদ্ধ চুম্বন

একটি নিস্তেজ হ্নদয়ে

লুকায়িত সুখ জাগায়।


একটি প্রশান্তির বুক

একটি ক্লান্ত ভরা মস্তিষ্কে

দিন শেষে মানসিক শান্তি দেয়।


এক জোড়া বিশ্বস্ত হাত

একটি ভীতু মনকে

নতুন করে বিশ্বাস আশ্বাস জাগায়।





এ তোমার কেমন নেশা

মনের সাথে লুকোচুরি,

আড়াল থেকে বিদ্ব করো

হৃদয় ছোঁয়ার ছলচাতুরী!


এ তোমার কেমন নেশা

মায়ায় অবিরল,

অন্ধকারের আস্তানাতে

তুমিই দীপ্তি অনল;


আড়মোড়া ভেঙে তাকালে তুমি

জাগে মনের ঘুম,

দু-হাত মেলে ওড়ার ছলে

জড়াও সন্ধ্যে হলে!





ভুবন ভরা ভালবাসায়

তবুও ভালবাসার অভাব

পরিবর্তন হবেনা কিছুতেই তা

যদি না বদলায় স্বভাব।


হিংসায়, অবহেলায় গেল

গেল ভালবাসা কর্ম দোষে

কোথাও পাবেনা ভালবাসা

বিনা কর্মগুণে কোনো মহলে।


স্নেহ ও ভালবাসার পথ

হারায় যদি কেউ নিজ দোষে

রাতের আকাশে উঠবেনা চাঁদ

কাঁদবে জীবন পরিশেষে।




একত্রে দাঁড়িয়েই দেখ

জীবনের উৎসবে মাতো

গলায় পরো সুখ-শান্তির মনিহার

তোমায় ঠেকায় এমন সাধ্য কার

একতার সংগ্রামে পরাজয় নেই

যেখানে সকলে সবার

এমনটিই যদি করা যায়

ভালবাসার ফুল ফুটবে সর্বত্র

কেননা কোন মানুষই নয় নগণ্য।


শুরু যার ভালো, সারাদিন তার আলো

যদি আমরা শুদ্ধাচারের পথে চলি।




সকাল থেকে শিক্ষা নিয়ে

রাত্রি করি পাড়,

একুশ, বিশ শুধু সংখ্যা নয়

জীবনের সমাচার!


গোধূলি সন্ধ্যায় চাঁদ ফোটে

অন্ধকারে হাসে, মায়ার বাঁধনে

নিভৃতে হাসে এই মন

তোমায় ভালোবেসে।


কোন অভিযোগ পুষতে নেই-

ছোট্ট এই জীবনে,

নিয়তির নিয়মে পুড়ে তবেই

রূপান্তরিত হতে হয় স্বর্নে।




হঠাৎ কেন মনটা আজি

হাসছে বারে বারে,

এদিক ওদিক পুনঃপুন

দেখছে আঁড়ে আঁড়ে;


সূর্যটা আজ ভিন্ন রূপে

উঠলো আকাশ পানে,

নব আলোর রূপ যে আমার

মনটা কাছে টানে।


নিত্যদিনের দৃশ্যগুলো

নতুন রূপে আছে,

সব মিলিয়ে হাসিরা সব

আসছে মনের কাছে।





আমার লেখা কবিতারা

তোমার স্পর্শে পায় প্রাণ

প্রতিটি লেখার প্রতি চরণে

তোমারই ভালবাসার গান।


ভালবাসাহীন জীবন যেন

সবুজহীন ধূসর মরুভূমি

এই ভালবাসার জন্যই

মরুভূমি স্বর্গের একটুকরো জমি।


ভালবাসায় হয় নতুনের সৃষ্টি

ভালবাসার জন্যই ধ্বংস

ভালবাসা নয় জীবন

তবু ভালবাসা জীবনেরই অংশ।





তোমাকে পেয়েছি খুব যতনে

তাইতো আগলে রাখি আদরে

সুসময়ে, অসময়ে আছো আমার হয়ে।

যা আমার বলে স্বীকৃত

যেমনই হোক, তা তো আমার মনের মত

দূরে রাখতে নই বিন্দুমাত্র সম্মত।

আপন হয়ে যা আছে আমার সাথে

চলে গেলে চোখের বাইরে

আঘাত পাই অন্তরে,

হৃদয়ে হয় ভূমিকম্প

তোমার থেকে গেলে দূরে।





কর্ম যেমন, ফল তেমন

সেটাই পাবে যেটার যোগ্য

মাথা ঠুকে যতোই কাঁদো

বদলাবে না একটুও ভাগ্য!


আচরণ করবে যেমন-

ঠিক ততটাই তোমার প্রাপ্য

দরজা যতোই বন্ধ করো

কর্মফল মিলবেই এটাই সত্য!


নিয়তির লিখন বড্ড কঠিন

বদলানোর নেই কারো সাধ্য

স্বভাব চরিত্র উন্নত করো

ঠিক পাল্টাবে কর্ম যোগে ভাগ্য!






আশা দিয়ে শুরু করি, প্রাপ্তিতে সুখ

স্বীকৃতির রঙে রাঙাই, সময়ের ভুখ।


সম্পর্কের বাঁধনে বাঁধি, মূল্যায়নে জয়

সম্মানের মুকুট মাথায়, সকলের মায়ায়।


বাস্তবতা মেলে ধরে, অবাস্তবের জালে

বিজ্ঞতা-অনভিজ্ঞতা, নীতির গানে ঢালে।


এ সবই জীবনের রং, জীবনের বাণী

ছন্দে ছন্দে গাঁথা, জীবন-ছন্দখানি।





খচিত হয় যে মনোঘর,

গভীর বিশ্বাসে।

আত্মার ছায়ে রচিত আলোয়,

স্বর্গের সুখ মিলে।


খুঁজে পায় মন স্বর্গের ছোঁয়া;

গভীর বন্ধনে।

বসে থাকে তখন অন্তর মন,

স্বর্ণ সিংহাসনে!


প্রেম ভালোবাসা বিধাতার দান,

রাখিও তা যতনে।

খুঁজিতে হবে না আর স্বর্গ দুয়ার,

ধরাতেই পেয়ে যাবে।




গতি জ্ঞানে আমি ভাসি-

জীবনের সব গতিধারায়!

পরিবর্তনের মাঝে ভাসি;

স্থিতি জ্ঞানের আলোয়।


প্রশস্তির মাঝে পানি-

পরিবর্তনে সূর্যের রৌদ্র।

অন্তর্দৃষ্টির গভীর সাগর,

জীবনের অনুভূতির উদ্দীপন।


অবলম্বনযোগ্য, স্থির সাথে,

আমার জীবনের কবিতায়।

গতি জ্ঞানে নতুন প্রতিষ্ঠা,

স্থিতি জ্ঞানে অসীম অভিজ্ঞতা।




ভোরের আলোয় ভুবন ভরে;

সুখের খাঁচায় সুর তোলে!

উদাসী হাওয়া জড়িয়ে গায়ে,

চঞ্চল চিত্তে দোলে।


সঙ্গী গাছের বিহঙ্গ গুলো;

সকালে করে ডাকাডাকি।

সুখের উড়ান মুক্ত আকাশে,

নিজ চেষ্টায় তাল মিলিয়ে চলে।


সহস্র বাঁধা আসে জীবনে-

ভাঙে আর গড়ে।

ক্লান্ত অবশ বেলাশেষে,

নিস্তব্ধতা বিরাজ করে।





একটি হাসিমুখ জাগায় অগাধ সুখ,

দূর করে দেয় মনের যতো দুখ।


একটি হাসিমুখ দেখলে সকালবেলা,

সারাটাদিন কাটে যেন ক্লান্তিহীনা।


একটি হাসিমুখ হাজার বেদনাতে,

মলম লাগায় যেন নরম দুটি হাতে।


একটি হাসিমুখ আছে যে ঘরে-

সেই ঘরেতে সদা শান্তি বিরাজ করে।






ভিড়ের মধ্যে ভিড় মিশে যায়,

হাওয়ায় তোমার গন্ধ মাপি।

সন্ধেকে আমি চায়ে ভিজায়;

আমার এখন একলা আমি।


চোখ হতে চায় খরস্রোতা,

মন খুঁজে পায় নতুন পালক।

খুশিরঙের বিষণ্ণতার,

এমন ঋতু কে বানাল?


বুকের ভেতর ছুটছে দেখ,

সন্ধেবেলার রঙহীন গান।

আমার ভীষণ একলা সময়;

তোমরা বলো, বসন্তকাল?





কত স্বপ্ন যায় ঘুরে যায়, 

পায় না খুঁজে স্থান।

তোর হাতেরি পাশ দিয়ে যায়,

আসে কত গোরস্থান।

----সামীউল ইসলাম শামীম 




ঝিরিঝিরি বৃষ্টির সাথে-

হচ্ছে হিমেল অনুভূতি, 

জীবন চলে জীবনের নিয়মে-

পাল্টে শুধু সময় সূচী।

সামীউল ইসলাম শামীম



একটি বাজে মন্তব্য আপনাকে,

নিরাস করে এবং পাঁচ হাত পিছনে দিবে।

কিন্তুু একটি পুরস্কার আপনার-

আগ্রহ এবং মনোবলকে দশ কদম;

সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।

সামীউল ইসলাম শামীম





আজকের ফুলের কুঁড়ি,

কালকে পালক মেলে;

বিকশিত হবে।

কিন্তুু আজকের ফুলগুলো,

কালকে ঝরে পড়বে 

এটাই স্বাভাবিক।

সামীউল ইসলাম শামীম





মিথ্যার সাথে করি না আপোষ,

অন্যায়ের সাথে বাস।

সত্য পথে চলবো আমি,

গড়ে যাবো ইতিহাস।

সামীউল ইসলাম শামীম





বুক ভরা প্রত্যাশায় বসে আছি

এমন দুপুর ক্ষণে;

মন তোমার অপেক্ষায়

তুমি আসবে কখন ফিরে।


তোমাকে পেয়েছি আমি সাধনায়

আঁকা আঁখি পাতায়;

বাঁধলে ওগো আমায় তুমি

তোমার স্বচ্ছ ভালোবাসায়।


অধরের কোনে মিষ্টি হাসিতে

রেখেছি; আমি তোমায়,

হৃদয় আঙ্গিনায় আছো তুমি

সুখে, দুঃখে, ভালোবাসায়।




তুমি কবিতার মতো,

তোমার দিকে তাকালে বৃষ্টি নামে।

ধান ক্ষেতের এপার থেকে ওপারের;

রোদ মেশা বৃষ্টি!

তোমাকে দেখলেই মন আমার-

আরো বেশী চঞ্চল হয়ে উঠে,

যেন শত শত প্রজাপতি!

তাদের আনন্দ প্রকাশ করে।

তোমাকে দেখলেই কতশত শব্দ

ঘিরে থাকে আমাকে।

কি সব ভাবছি, লিখছি?

আর তোমাকেই মনের খাতায় আঁকছি।





আকাশের গায়ে কিছু যাযাবর মেঘ

আদিগন্ত; করছে লুকোচুরি খেলা,

আমাদের চোখে থমকে আছে আকাশ

সেখানে বসেছে তারকারাজির মেলা।


বিষাদ মেঘের কালো ছায়া দূর করে

ঝলমলে আলোয় খুঁজে পাই অন্তমিল,

আর কোনও মেঘে ছায়া ঘনাবেনা

সর্বদা থাকুক, এখানে আকাশ নীল।





পেয়ে ভূলে যাওয়ার চেয়ে,
না পেয়ে আশায় থাকা অনেক ভালো।
সামীউল ইসলাম শামীম

দিবা-রাত্রি
সামীউল ইসলাম শামীম
দিনের বেলায় ঘুরে ফিরে,
মন ক্লান্ত নিয়ে।
সন্ধ্যা বেলায় ঘরে ফিরি,
নিদ্রা তোমায় ঘিরে।

তোর তোরেতে আশায় আছি,
নিঝুম দিবা-রাত্রির তোরে।
নয়ন দুটির দুলছে পাতা,
তোমার ভালোবাসায় ভোড়ে।

তোর নয়নে নিজেকে দেখি,
রাখিস হাতে হাত।
দুজনের স্বপ্ন গুলো এক করিবো;
পাড়ি দিবো হাজার-কোটি রাঁত।




মন জানালা খোলাই আছে,
হবে অন্তত দৃষ্টিতে পাওয়া।
সব গোপন ঐ জানলাতে,
দিন শেষের খোলা হাওয়া।

আমার একটা মন আছে,
মনটা ভীষণ উড়নচন্ডী।
এলোমেলো হয়ে সারাদিন,
স্বাধীনভাবে উড়া উড়ি।

দিনের শেষে ক্লান্ত দেহে,
আসো যখন হৃদ দুয়ারে।
চঞ্চল এই মনটা আমার,
শান্ত হয়ে বসে তোমার পাশে।



আমি ঘুরে, ফিরে এসেছি,
সমুদ্র-কিনার হতে।
তোমার স্বপ্নীল বাসনা পুরিতে,
কোথাও প্রাচীর দিও না গেঁথে।

আমি এখানেই ঘুমোবো,
পাতায় জড়ানো আদরে।
বৃষ্টির রিমঝিম শব্দে,
আমি বসে তোমার খুব কাছে।

কোথাও একটু শুষ্ক নেই,
স্পর্শ-শীতল বর্ষন ধারার কোলে।
নন্দিত বিজলীর চমকে,
আছড়ে পড়ি তোমার বাহুতে।


জীবন একদিন থেমে যাবে,
একটা সময়ে গিয়ে।
শেষ হবে সুখ দুঃখের,
কিছু স্মৃতি নিয়ে।

জীবন থাকলে শুরু হয়,
নানান রকম গল্প।
স্বপ্ন গুলো পূরণ করার,
সময় যে পাবে অল্প।

সুন্দর করে জীবন সাজালে,
পাবে তুমি সম্মান।
স্বপ্ন গুলো সাজাতে গিয়ে,
কাউকে কোরো না অসম্মান।


আজ নিশিতে অন্য রকম,
পেলাম চাঁদের আলো।
মায়ায় ভরা, জ্যোৎস্না রাত;
দেখতে লাগে ভালো!

দক্ষিণ বাতাস মিষ্টি লাগে,
মৃদুমন্দ হাওয়ার স্পর্শে।
ক্লান্ত শরীর চাইছে আরাম,
ব্যস্ত দিনের শেষে!

হৃদয় ভরে জ্যোৎস্না রাতে;
প্রেমের ছোঁয়া পেলে।
সঙ্গী যদি সঙ্গে থাকে,
প্রেমের ছোঁয়া দিয়ে।



আমি লিখি আপন খুশিতে,
কিন্তু কবিতা সব 'তুমি-তে' ভরা।
বুঝেছে মন হয়না লেখা-
কিছুই যেন তোমায় ছাড়া!

তোমায় ভেবেই শব্দ খুঁজি,
ছন্দে হারাই যখন তখন।
ভালবাসা নয় কো বিষাদ,
আনাড়ি হতে চায় এই মন!

লিখতে চাই মনের কথা,
বুকের অতলে তীব্র নেশা।
গল্প বা ছন্দে হোক,
কবিতায় জড়াক মোর ভালবাসা!



অষ্টপ্রহর, নিজেরে পুড়িয়ে,
দিবাকর ছড়ায় আলো।
স্রষ্টার অপরূপ সৃষ্টি বহু,
অপরূপ সাজে সজ্জিত।

আলো ছড়িয়ে গুনছে প্রহর,
ঐ নীল গগনে সূর্য্যি।
নিকষ কালো আঁধার দূরীভূত,
জাগ্রত হলো সবি।

রাত গড়িয়ে দিন, দিনের শেষে,
রাত, পালা বদলের খেলা।
স্নিগ্ধ প্রাতে উড়ন্ত বিহঙ্গের কুজন,
শুভ হোক সারাবেলা।



ভালবাসার চাঁদনী রাতটা,
তোমার জন্য অপেক্ষায় আছে।
শীতল উষ্ণতা মনের কুঞ্জনে,
শুধু তোমায় খুঁজে।

প্রেমের সাগরে অষ্ট অঙ্গে-
ঝলমল করে ঢেউ, চাঁদের।
আলো আঁধারে প্রবাহিত 
তোমায় শুধু ডাকছে।

মনে যদি লাগে সংশয়,
কাছে আসো শক্ত করে।
দুহাত ধরি, মান অভিমান সব,
ভুলিয়ে প্রেম সাগরে ভাসি।


আলসে বিকেল গড়িয়ে-
অস্তাচলের গোধূলি মেলায়,
দিন শেষে ছায়ার হেলা-
ডুবে ধরণী সুখ খেলায়।

ডুবন্ত বিকেলে সুখের শ্বাস-
মন সুখে সন্ধ্যার বাস,
মনের আবদার প্রিয় বুঝে;
নিঃস্বঙ্গতা দেয় দূর করে।



আমি বললাম কি সুন্দর গোলাপ,
তুমি বললে সামলে কাঁটা।
তোমার চোখে ভুবন মনোহর,
স্বপ্ন সম রঙিন জীবনটা।

জীবন আমার পুরো বাস্তব,
জগৎ দেখি ভিন্ন চোখে।
তোমার যাপন সুখের দিনলিপি,
কষ্ট যত লুকিয়ে বুকে!

জীবন তো এক কলস্বর নদী,
কেবল চলা, কেবল গতিবেগ।
দুঃখ সুখের যাওয়া আসা,
তুমি, আমি ভিন্ন হলেও এক।


মানুষের প্রতি বিশ্বাস রাখো,
ভালোবেসে কাছে থাকো।
দেখবে জীবন ভরেছে আলোয়,
আঁধার ফিরবে না কো।

জীবনের মানে সেই জন জানে,
আছে যার সেই মন।
তারা আজীবন হাসিখুশি থাকে,
প্রফুল্ল প্রতিটি ক্ষণ।

নয় সংশয়, মন করো জয়,
এটাই আসল ধন।
জীবন হাসবে, আলোক ঝরবে,
এসো সাথী করি পণ।



চন্দ্র হারা এক আঁধার রাতে,
কথা বলেছিলাম তোমার সাথে।
তুমি সেদিন এসেছিলে,
পূর্ণিমা বিহীন অমাবস্যা রাতে।

তোমার মাঝে পেয়েছি আমি,
ভালবাসা নামক ঘ্রাণ।
তুমি আমার জীবন-মরণ
তুমি ভালবাসার প্রাণ।

কত যে রঙিন আলো বয়ে এলো
হবে নিরবতার অবসান,
তোমার মাঝে পেয়েছি আমি
আমার প্রিয় অনুভব।




কখনো যদি কেউ ভালোবাসতো,
নয়ন ঝরে পড়ে জল;
সয়নে- স্বপনে শুধু তারি ছবি,
ভেবে ভেবে কেটে যেত!
তাড়ি কথার নানা অভিছল।

 কত অভিনয়ে পোড়া এ মন,
তুমি শুধু স্মৃতি হয়ে থেকো।
আমার নয়ন তো তোমারি,
গহীনে একটু যত্বে রেখো।

ঠাই নাই ওড়ে ঠাই নাই,
শুধুই দুমড়ে মুচড়ে শহরে।
যাই নাই ওড়ে যাই নাই,
কুচকে তোমার শিহরে।




   এক মুঠো রোদ্দুর
সামীউল ইসলাম শামীম
তুমি আমার হয়ে,
আসবে কবে বলো।
আমি হারাবো যেন,
এক যুক্ততায় চলো।

কত হাঁসি, কত কষ্ট,
কত কান্না পিছনে ফেলে।
আঁকা-বাঁকা পথ বেয়ে,
চলে যাবো দুজনে ভেসে ভেসে।

তুমি জড়াবে কেন-
ভালোবেসে আমায়।
সুজলা,সুফলা শষ্য-শ্যামলা,
তরুলতা সাক্ষী রেখে।

আমি শুধু তোমাকে চাই,
আপনার চেয়ে আপন ভেবে,
শুধু যে তোমাকে জড়াই।

তোমারি মাঝে মিশে গেছি,
চোখ বুঝলেই বোঝা যায়।
শয়নে, স্বপ্নে তোমাকে দেখি,
কতটা ভাষা পাওয়া যায়।




       হিসাব-নিকাশ
সামীউল ইসলাম শামীম
প্রতিদিন আমি চলার পথে,
নিজেই নিজের প্রতি।
অনেক ধরনের অভিযোগ;
দায়ের করি।
কিন্তুু নিমিষেই সেই;
অভিযোগ গুলো হারিয়ে যায়,
আমার জীবন থেকে।
রাতে যখন শুয়ে শুয়ে ভাবি,
আমি কোথায় ছিলাম..?
কোথায় এসেছি..?
আবার কোথায় চলে যাবো..!
বাবা-মা,ভাই এবং সমাজের প্রতি আমার তো,
কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে।
কেন জানি তখন আমার-
সব অভিযোগ মুছে যায়,
আমি আমার দায়ের করা;
সব প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাই।
একটি কবিতা থেকেই যায়-
দায়িত্ব ও কর্তব্য যতো বড়,
জীবন ততো বড় নয়।
প্রদীপ জ্বলার সময় টুকু,
বন্ধ হওয়ার ক্ষণ রয়।
বন্ধ হবে নয়ন তোমার,
খুলবে না আঁখি রে।
হিসাব নিকাশ শুরু হবে,
অঙ্ক তো আর মিলবে না রে।





স্বপ্ন রঙিন জীবন আমার
সুখ যে রাশি রাশি,
অশেষ কৃপা খোদার প্রতি
ঝরছে মুখে, সদা হাসি।

জীবন চলার পথে যেদিন
পেলাম তোমার দেখা,
মুখের হাসি দ্বিগুণ হলো
দুঃখরা সব হাওয়া। 

ভাগ্যাকাশের রংধনুরা
দেখো, দিচ্ছে হাতছানি
সোনালী সেই দিনটির কাছে
আমি বড্ড হলাম ঋণী।


মনের মৌবনে গুনগুনিয়ে
আমার ভুবন রাঙিয়ে সুরে
অভিসারেতে হলে নিমগ্নিত
আমার এ গোপন অন্তঃপুরে।

বাসনার স্বপ্নপুরী বেড়ায়ে
আমার কোমল হৃদয় চড়ে
আশার প্রদীপ জ্বালিয়ে দিলে
আমার জীবন আলোয় ভরে।

তোমার সুখ ধারা;
আমার ভিতর গেছে ছেয়ে
আমার সুখের সারাবেলা
তোমার বাহুডোরে বেঁধে দিলে।

প্রেমে পড়ো নিজের
নিজেকে সময় দাও
তোমাতে, তুমি জড়িয়ে নাও
তোমাকে তুমি চিনবে।

নিস্তব্ধতার প্রেমে পড়ে দেখ
নিস্তব্ধতা; তার আয়নায়
তোমাকে দেখিয়ে দেবে
তোমার সমস্ত পাপ, কালিমাখা হাত।

একা একা যে ঘর
সেই ঘরটাও প্রেমের কাঙ্গাল
তার প্রেমে পড়ে দেখ
তোমায় কতটা আগলে রাখে।

তুই রোজ পিওনের চিঠি
তুই রোজ সকালের গান
ভাবনা এমন মনের কোণে
তুই যে আমার অভিজ্ঞান।

দুপুরে শান্ত ছায়া তুই
বিকেলে তুই-ই নরম মায়া
আমার এই জীবন জুড়ে তুই
যেন এক নদী, স্বচ্ছতোয়া।

অথচ ব্যস্ত যাপন তোর
তবু তুই আমার জীবনের ভোর
তুই যেন জড়িয়ে আষ্ঠেপৃষ্ঠে
তুই আমার অভিমানের ঘোর।

মেঘলা আকাশ কাটেনি আঁধার
ডাকেনি ভোরের পাখি,
দিবাকর আজ ঢালেনি যে আলো
মেলেনি তাই আঁখি।

আঁধারের শেষে ফুলের সুবাসে
যখন হইলো ভোর,
বায়ু শনশন মেঘে ঢাকা রবি
খোলেনি তাই দোর।

খোলা বাতায়নে ফুটেছে কুসুম
হয়নি প্রভাতী বেলা,
মেঘ গুরগুর ডাকে দিন ভরে
আকাশে মেঘের ভেলা।



আঁধার রাতে বাতায়নে
একলা বসে আমি,
চাঁদকে শুধায় তোমার কথা
ঘুমহারা, মোর আঁখি।

আমি দেখি নাই তার মুখ
আমি শুনি নাই তার বাণী,
কেবল শুনি ক্ষণে ক্ষণে
তার পায়ের ধ্বনিখানি।

মনের মাঝে আতস জ্বেলে
যে রূপে তুমি এলে,
সেই রূপেই তুমি থেকো
আমৃত্যু হৃদয় জুড়ে।


ভালোবাসা আর ভাল রাখা
অদৃৃশ্য তার দুই পাখা,
যখন মন উড়তে পারে
ভালোবেসে পাশে থাকা।

ভালোবাসা অনুভূতি এক
পরস্পরের বোঝাপড়া,
ভালোবাসা আত্মসমর্পণ
তোমার প্রেমে পরে ধরা।

ভালোবাসা ত্যাগে আসে
থাকেনা কেউ ছোট বড়,
ভালোবাসা ব্যস্ত দিনেও
পাশে থাকার অঙ্গীকারও।


আমি দিবারাত্রি তোমারই
প্রেমের গান গাই,
যে গানের সুর তুমি
আমি তোমাতেই মিশে যাই।

ফুলের মালা গাঁথি
যে প্রেমের ফুল তুমি,
গোলাপ হয়ে ফুটি আমি
ভ্রমর হয়ে আসো তুমি।

হৃদয় বীণায় তোমারই পরশ
অনুরাগে ঝংকারো তুমি;
আমি দিতে পারি এ জীবন পাড়ি
যদি হাত ধরো তুমি।




আমার বৃষ্টি পেলেই সুখ, 
আমার কাজল চোখে জল।
তুমি ব্যস্ত কি সব কাজে,
এখন, এটাই নাকি চল।

আমি সাজিয়ে শব্দসারি,
লিখি আবেগ মনের কথা।
তুমি হাত বাড়ালেই হাসি,
ঠোঁটে হাজার কথকতা।

আতস কাঁচের মতো মন,
ঘষায় ঝাপসা হয়ে ওঠে।
তুমি ডাকলে নরম সুরে,
আমার হৃদয় দ্রুত ছোটে।




পৃথিবীর বুকে এত মানুষ,
কিন্তু, মনের মানুষ একজনই।
হাজার লোকের ভীড়ে আমি,
পেলাম কেবল তোমাকেই।

শুধাই তাকে তুমি কি আমার
সঙ্গী হতে চাও?
বিশ্বাস যদি রাখতে পারো,
তবেই হাত বাড়াও।

বিশ্বাস, সম্মান, ভালবাসা,
সবই দিয়েছ তুমি।
সুখে যেমন থাকব সাথে,
দুঃখেও, তোমার আমি।



নীল আকাশের গ্রহ তারা,
চন্দ্র-সূর্যের আলো।
রবের সৃষ্টি বিস্ময় দেখি,
মনে লাগে ভালো।

খুঁটি বিহীন বিশাল আকাশ,
ফাটল নাহি কোথা।
শূন্যে আকাশ মেঘের ভেলা,
বৃষ্টি ঝরায় হেথা।

যতোই দেখি বিস্ময় লাগে,
আকাশ ঝর্ণা নদী।
স্রষ্টার সৃষ্টি অপার নিখুঁত,
কোথাও নাই বিবাদী।




চেষ্টা আর ইচ্ছা এক নয়।
কারণ, চেষ্টা হচ্ছে শারীরিক।
আর ইচ্ছা হচ্ছে মানসিক।
সামীউল ইসলাম শামীম





ভালোবাসা কখনো শেষ হয়ে যায় না,
কিন্তুু চলে যায়;
কিছু মানুষ এবং
হারিয়ে যায় বিশ্বাস।
সামীউল ইসলাম শামীম 





     সেই আমিটা
সামীউল ইসলাম শামীম 
সুখ ভেঙে আজ সুখেই থেকো, 
থাকুক ঠোঁটে হাসি।
এই আমিটা হাঁটবে না আর,
তোমার পাশাপাশি! 

খুব গোপনেই থাকুক বেঁচে 
অনুভূতির আলো,
একটা মানুষ আজও একা 
বড্ড অগোছালো!

ডাকনামে আর তোমায় কভু
ডাকবো না গো প্রিয়,
আমি না হয় ঘৃণার মানুষ 
ঘৃণায় রেখে দিও!


যুদ্ধে গেলে সে যোদ্ধা নয়,
যে শেষ পর্যন্ত যুদ্ধ করে,
সেই যোদ্ধা। 
সামীউল ইসলাম শামীম 





আমি হয়তো থাকবো না আর,
থাকবে আমার আখি।
জীবন খাতার ইতি টুকু,
শুধুই রয়ে গেছে বাকি।
সামীউল ইসলাম শামীম 




মানুষের আচরণ এবং দক্ষতা,
গায়ে লেখা থাকে না সত্যি।
কথা এবং কাজের মাধ্যমে,
প্রকাশ পায়। 
    সামীউল ইসলাম শামীম

হয়তো একদিন চলে যাবো জানি,
দু-তিনটি দিন কাঁদবে সবাই;
কাঁদবে একটু খানি।

ঊষার কালে স্মৃতির টানে,
কাটবে রে আমেজ।
একটু খানি ধুলবে পাতা:
হবে জলাবেজ।

সায়াহ্নতে কাজে ব্যস্ত হবে,
বড়ই পাতার পানি দিয়ে;
শেষ গোসলও দিবে।

অপরাহ্নে করবে বিদায়,
দিবে রে কবর।
একবারও তো নিবে নারে,
নেবে না কেউ খবর।

রাত্রি কাটবে আশায় আশায়,
শুধুই চিন্তা করবে।
কী হবে আর কষ্ট পেয়ে;
চোখের জলে বুক ভাসায়।

দুই দিনেরি বাহাদুরি,
সেই দিন হবে শেষ।
নয়ন দুটি বন্ধ হলে.?
হবে সব নি:শেষ।




অভিমানের পরেও যদি;
জড়িয়ে ধরিস বুকে।
ফুল হয়ে পড়বো ঝরে-
ভাসাবো তোকে সুখে।

চিলেকোঠার ছাদে রাখা;
বাহারী ফুলের সাথে।
আলো হয়ে পড়বো ঝরে-
জ্যোৎস্না; ভরা রাতে।

উঠোন ভরে ছড়িয়ে দেবো-
ভালোবাসার মায়ায়!
থাকবো দুজনায় ভীষণ সুখে-
ভালোবাসার ছায়ায়।


যতটা তোমায় আঁকড়ে ধরি,
জীবনের নিঃশ্বাসে।
ততটাই আবার মুক্ত করি,
ফিরে আসবে সেই বিশ্বাসে।

যতটা আমায় আগলে রাখো,
অধিকার নিয়ে বুকে।
ততটাই তোমাতে জড়িয়ে থাকি,
এই পৃথিবীর মায়া থেকে।

কিছু দেনা তোমার কাছে,
থাকনা পড়ে বাঁকি।
দেনা পাওনার হিসেবের খাতায়,
তোমায় বেঁধে রাখি।



তুমি কি যাবে আমার সাথে,
দূরের নীল আকাশে।
তুমি গেলেই মেলবে ডানা,
স্বপ্নেরা প্রজাপতি হয়ে।

যদি খুব পাশাপাশি বসে,
রাখো মাথা আমার বুকে।
হাসবে আকাশ হাসবে তারা,
হাসবে চাঁদ, আমাদের দেখে।

রাতের শহরে একটা গল্প হবে,
জোনাক পোকার হইচই হবে।
হবে কিছু স্বপ্নের ওড়াউড়ি;
তোমারি চোখে চোখ রেখে।





      তুমি কী আসবে
সামীউল ইসলাম শামীম

তুমি কী আসবে-
স্বপ্ন সেজে ভীড়ে।
এক মুষ্টি হাত বাড়িয়ে,
ছোট্ট আমার নীড়ে।

ছোট ছোট স্বপ্ন গুলো;
সাজাবে আমার হবে বলে।
নিজেই নিজের ছায়া দেখি,
নদীর তীরের জলে।

আজকে আমি এলোমেলো,
শূন্য হা হা কায়।
শূন্য থেকে পূর্ণ হবো,
রয়ে প্রতিক্ষায়।

তুমি কী আসবে বল-
শুক তারারা জেগে।
নিশিত নিদ্রা ভোর নেমেছে,
তোমায় নিয়ে রেগে।
(১ম অংশ)

মিট মিটালি চুপ হয়েছে,
এদিক ওদিক চায়।
নিজুই পাখি খুব চটেছে,
মরি হায় রে হায়।

তুমি আসবে বলে-
বসে কদম তলে।
পানকৌড়িরা পান করেছে;
অতুল রূদ্ধ জলে।

তুমি কী আসবে-
বলে পথ চেয়ে বসে থাকি।
এক সাথে,এক হয়ে,
দীর্ঘ গোচর বাকি।
(২য় অংশ)



ছায়ার দিকে তাকিয়ে থাকলে যেমন,
চোখ ঝাপসা হয়ে যায়।
ঠিক তেমনি ভূল হলে,
সবকিছু ভূল মনে হয়।
সামীউল ইসলাম শামীম





যারা জীবনে উপরে উঠতে চায়,
তাদের অনেক কষ্ট করে উপরে উঠতে হয়।
সামীউল ইসলাম শামীম


মানুষ বিপদে পড়লে অন্যর কাছে আসে,
বিপদ থেকে কেটে গেলে-
উদ্ধারকারীকে ভূলে গিয়ে চলতে শুরু করে।
সামীউল ইসলাম শামীম

হয়তো আমি লিখবো এখন,
লিখবো দু-চার পাতা।
শেষ অংশটা পড়ে রবে,
শুধুই সাদা খাতা।

খুব দ্রুত লিখবো হয়তো,
ছন্দে ছন্দে বটে।
আবেগ দিয়ে ফুল রাঙিয়ে,
কল্প যোগে চোটে।






     সুতোয় বাঁধা
সামীউল ইসলাম শামীম 
নিজের ভেতরে বেঁধেছ নিজেকে,
নিজেরই হাজার পাকে।
হাজার আমি-তে ছড়ানো যে আমি,
কীভাবে চিনবে তাকে!

আলোর ঝলকে যতটুকু পাও,
সে তো শুধু অংশত।
যেখানেই যত ক্ষত জমে ওঠে;
হও যতই সংযত!

কোনো বারণ; শুনে না কথা,
কোনো কিছুর বিনিময়ে থামেনা,
মন যেন তার নিশ্চুপ হাতিয়ার,
কারণে-অকারণে পথ বদলায়;
শুধুই যে জাতো না।




দুপুর রোদের; তপ্ত ঘ্রাণে,
নীল আকাশের তলে।
একটা মনের মানুষ থাকুক,
মন ক্যামনের ক্ষণে!

সুখের হাওয়ায় উড়িয়ে স্বপ্ন,
এসো বাস্তবতায় ভাসি।
অভিযোগ চুকিয়ে দিয়ে,
চলো নিজের মতো হাসি।

ঊর্ধ্বতার সীমানায় আমরা,
এসো খামখেয়ালী উড়ি।
ছুঁতে চাওয়ার বাহানায়,
আমিই তোমার আস্থা নীলাম্বরী।



স্মৃতির অতলে ডুব দিয়ে,
কেউ পারেনা কিছু তুলতে।
সময় বয়ে চলে, নদীর স্রোতে,
কত স্মৃতি দেয় ভুলিয়ে।

অতন্দ্র প্রহর জেগেই কাটে,
নিদ্রাহীন খোলা চোখে।
আকাশ-পাতাল ভাবনা যত,
স্থান নেয় বুকে।

রাতচরা পাখি, তার কর্কশ ডাকে,
ভাঙে আঁধারের নিরবতা।
বয়ে যায় সময় রয়ে যায় পলি,
অকারণ কিছু সখ্যতা।





ভালো তাকেই বাসিও;
যে তোমার handsome এবং smartness কে না-
তোমার সততা আর মনুষ্যত্বকে ভালোবাসে।
সামীউল ইসলাম শামীম



তুমি শুধু বলো ফোটে কি ফুল
বসন্ত না এলে,
আমি বলি হাজার বসন্ত যে
আমার হৃদয় তলে!

তুমি শুধু বলো ঝরে না বৃষ্টি
বর্ষা না এলে,
আমি বলি হয় হাজার বর্ষণ
তোমার বিরহের অশ্রুজলে!

তুমি বলো দুঃখ কেবল
প্রেমেতে আছে যে মিশে,
আমি বলি কেউ কি পেয়েছে সুখ
দুঃখকে না ভালোবেসে!



মনের রূপ সে দেখে_ 
যে দিয়েছে মন; 
মনের কথা যে বোঝে, 
সে আপন জন।

মনের রূপ দেখতে_ 
মনের চোখ লাগে। 
মনের বয়স একই, 
থাকে যেমন আগে।

মন হচ্ছে পানি_ 
ইচ্ছে তোমার যেমন! 
বেলা শেষে পাবে, 
কঠিন, না'কি কেমন?





খুব সখের স্বপ্ন গুলো 
পায়নি পথের দেখা 
একটি ছেলে নিঝুম রাতে 
ছবি আঁকছে একা।

সেই ছেলেটা ভীষন বোকা 
স্মৃতির ছবি আঁকে
যাকে নিয়ে ছবি আঁকে 
সে এখন অন্যের ঘরে থাকে।



আজ আমি চলছি অভিরত,
বুকে নিয়ে পুরনো ক্ষত।
ঝুম ঘুম  নির্ঝুম রাতে,
চাঁদের দেশে কোন এক প্রাতে।
ডেকে আমায় বলে,
ছলে বলে কৌশলে।


꧁꧂বাবা তুমি মহান ✿︎✿︎✿︎
               তুমি ছারতে পারোনা মায়া ,,,,
           তাইতো তুমি মৃত্যুর আগে পর্যন্ত ♥︎♥︎♥︎
                     হয়ে থাকো ছায়া । 
             নিজে কথা না ভেবে তুমি 𖣔𖣔𖣔
                   অন্যের কথা ভাবো ,,,,
             তোমার থেকে আর বড় বীর ❁❁❁
                     আমরা কোথায় পাবো । 
               সকল দুশ্চিন্তা মাথায় নিয়ে 𖣘𖣘𖣘
                      ঘুরতে তুমি পারো ,,,,
               নিজের কথা তুমি কেনো ❀❀❀
                   ভেবোনা একটি বারো । 
             নিজের সবকিছু বিলিয়ে দিয়ে ᯾᯾᯾
                      অন্যকে খুশি করো ,,,,
                 তাইতো তুমি ছোট গাঞ্জি ☘︎☘︎☘︎
                     আর ছিরা ধুতি পরো । 
                অন্যের সুখে হও সুখী ꕥꕥꕥ
                     আর অন্যের দুঃখে দুঃখী ,,,,
                 সবকিছু তুমি ছেরে দাও বাবা ᯽᯽᯽
                      দেখবে তুমিও হবে সুখী । 
                  তবু তুমি অবুঝের মতো 𑁍𑁍𑁍
                          করে যাও কষ্ট ,,,,
                 তাইতো তুমি আমাদের কাছে ❤︎❤︎❤︎
                       সবার থেকে শ্রেষ্ঠ।







তোরে খুব ভালবাসি
অনুভূতির সব রং মেখে!
তোর চোখে রাখি চোখ
নীহারিকায় স্বপ্ন রেখে!

তোকে অনেক ভালবাসি
ভালবাসি তোর মুখের হাসি,
অপেক্ষার যে আনন্দ থাকে
প্রাপ্তিতেও যেন কিছু থাকে বাকি!

মায়াবী একটা মিষ্টি রাত
সুন্দর সবই তোর জন্য,
বিশাল আকাশ এলোমেলো বাতাস
তোর ভালবাসায় আমি ধন্য।



ভালোবাসার গভীরে
দুটি প্রাণ যে দিশেহারা,
সাক্ষী আছে খোলা আকাশ
চন্দ্র, সূর্য ও তারা।

প্রিয় আমায় ভালোবেসে
রেখো তুমি বুকে,
কোমল পরশে তোমায় ছুঁয়ে
সৌরভ ছড়াবো সুখে।

তোমার প্রেমে মুগ্ধ আমি
হই যে সদা আকুল,
তোমার কাঁপা ঠোঁটের প্রেম ভাষায়
বুকে আমার ঝড় উঠুক।


যাচ্ছি ডুবে মালিক আমি
গোপন পাপের তলে!
দয়া করে ভিড়াও আমায়
মুত্তাকিনদের দলে।



তোরে খুব ভালবাসি
অনুভূতির সব রং মেখে!
তোর চোখে রাখি চোখ
নীহারিকায় স্বপ্ন রেখে!

তোকে অনেক ভালবাসি
ভালবাসি তোর মুখের হাসি,
অপেক্ষার যে আনন্দ থাকে
প্রাপ্তিতেও যেন কিছু থাকে বাকি!

মায়াবী একটা মিষ্টি রাত
সুন্দর সবই তোর জন্য,
বিশাল আকাশ এলোমেলো বাতাস
তোর ভালবাসায় আমি ধন্য।


লিখবো বলে হয়নি লেখা
ডাইরির পাতা খালি 
লেখার কলম বুক পকেটে 
গল্প অনেক বাকি।

মনটা আমার তোমার প্রেমে 
আজও বাঁধা আছে মন 
তাই তো এখন তোমায় ভেবে 
লিখছি সারাক্ষণ।


তুমি যদি দেখা না দাও
করো এমন হেলা,
কেমন করে কাটে বলো
আমার গ্রীষ্ম বেলা।

কথার ভিড়ে হারায় কথা
ব্যথার স্রোতে মন,
এমন ক্ষণে তোমায় এখন
বড্ড প্রয়োজন।

মনটা আমার মন বেঁধে আজ
তোমার পাশে জাগে,
তাই তো এখন তোমায় আরো
আপন আপন লাগে।


তুমি আমার শান্তির ছায়া
তুমিই প্ৰিয় সুখ!
তুমি আমার প্রথম গাওয়া 
জীবন গানের সুর!

তুমি আমার হৃদ গভীরে
একটি মায়া মুখ,
তুমি আমার দুঃখ সুখের 
ভরসায় দেয়া বুক।

তুমি আমার কথামালা
তুমিই কাব্যিক ছন্দ,
তুমি আমার হৃদয়ে ফোটা
মিষ্টি ফুলের গন্ধ!





""জীবন""
সামীউল ইসলাম শামীম

জীবনটা যে খুবই ছোট্ট,,
কিন্তু আমাদের কর্তব্য টা 
বেশ বড্ড!

আমার বাবার বাড়ি আছে,
আছে কোটি টাকা--
এগুলো বলে বাহাদুরি 
করিস নে রে বেটা ।

এত বড় অট্টালিকা হায় ,
তোমার কি কাজে লাগে??
যদি তোমার আচরণ আর
 শিক্ষা না ঠিক থাকে ।

ধন দৌলত থাকলে রে ভাই 
গড়া যায় না জীবন,,
শিক্ষিত একটি সমাজ দরকার 
তুমি যেথায় থাকবে সুখী সারা জীবন ।

ইনজয় আর জার্নি করে 
কি পেয়েছো জীবনে,,??
যদি বলি অপকার ছাড়া 
উপকার পাওনি সেকালে।।

খেলা খেলা করে তুমি 
কাটিও না সময়,,
সময় তো সময়ের মতোই 
কারো জন্য নাহি রয়!!

সেই দিন বুঝবে তুমি 
জীবন কি জিনিস,,
কাজের এত চাপ পড়বে 
পারবে না করতে ফিনিশ ।।

অশ্রু ঝরিয়ে আর 
লাভ হবে কি বলো,,??
এখনো সময় আছে 
সঠিক পথে চলো।।

যদি নাহি বিদ্যা 
থাকে তোমার মাঝে,,
যতই তুমি চেহারাটা হায় 
রাখো সাজে বাজে,,,
পারবে না তখন তুমি জীবনে কিছু 
করতে অর্জন,,,,,
অবশেষে জীবনটা তোমার 
করতে হবে যে বর্জন।।





এই শহরের নিয়ন আলোর ফাঁকে
স্বপ্ন কত বিলোচ্ছে শুকতারা,
সেই আলোকে কেন্দ্র করে বাঁচে
সংসার চাওয়া অজস্র নীড়হারা,
তাদের মাঝেই তুমি আমি একমুখ
চাইছি পেতে একান্ত এক আয়না,
দুজনের যেথা স্বচ্ছ মনের ভাবনা
ঠিকরে পড়ে, আড়াল রাখা যায়না,
আমাতে তুমি আর তোমাতে আমি
আর আমাদের অজস্র বায়না।



চাওয়া আর পাওয়াতেই;
জীবন নিবন্ধিত হয়?
সত্যি বলতে আসলেই কি
সব চাওয়ায়, পাওয়া যায়?

নতুন স্বপ্নে বিভোর মন
দায়ী করবো কাকে?
সিদ্ধ হই স্বপ্নালোকে
ভাগ্যে যা-ই থাকে।

ঘুম ভেঙেই; দেহ মন
ফিরে যেনো বাস্তবতায়,
মেনে নেয় বিশ্বাস নিয়ে
এইতো বাস্তব জীবন বহতায়।




আমি বৃষ্টি হলাম বলে
তুমি হলে খরা,
ঝরার আগেই শুকিয়ে দিলে
কেমন হতচ্ছাড়া!

আমি শান্ত শীতল বলে
তুমি হলে ব্যবচ্ছেদ,
আগুন মেখে তীরের মাথায়
করলে বক্ষ ভেদ!

আমি তবু হাসি বলে
তোমার ভীষণ পোড়ে গা,
এতো করে মারলে তবু
তোমার তেষ্টা মেটে না।



স্বপ্ন গুলো জানি শেষ হয়ে হবে না,
থেকে যাবে অম্লান।
এভাবেই ঠিক চিঠি লেখা আছে,
এসে যাবে সেই দিন।
সামীউল ইসলাম শামীম



ও চাঁদ, এই রাত্রি বেলায়
এমন রূপে কেন রে তুই?
ইচ্ছে করে হাত বাড়িয়ে
নরম করে আজ তোকে ছুঁই।

ও চাঁদ, তোর বুকের ভিতর
হাজার হাজার ডুব ডুবুরি,
দেখ না কেমন ডুবতে ডুবতে
অচিন হৃদয় করছে চুরি।

ও চাঁদ, এমন চুরি বল
শিখেছিস কেমন করে?
তোর ওই মরন ফাঁদে
রাতও ঝোলে, ক্লান্ত ভোরে;




নতুন দিনের প্রচ্ছদে আবার
এলো নতুন সকাল,
অনেক আশায়, অনেক স্বপ্নে
মনকে দেয় আনন্দের জোগান।

কলহ-বিবাদ ভুলে গিয়ে
চলো সম্মুখ পানে,
জীর্ণতাকে বিদায় করো
নতুন দিনের গানে।

নতুন দিনে নতুন করে
পণ করো আজ তুমি,
তোমার ক্ষমায়, ভালোবাসায়
রাঙবে হৃদয় ভূমি।


থমকে গেছে মনের শহর 
ইচ্ছেরা গেছে ছেড়ে 
খুঁজবো না আর প্রেম কখনো
লক্ষ লোকের ভিরে।
খুঁজবো না আর লুকানো সুখ 
মিথ্যা মায়ার হাসি 
একলা থাকার জীবনটা আজ
বড্ড ভালোবাসি💙🤍


একটা বিকেল একলা আমি
ভাবছি বসে আনমনে
মুহুর্ত পাহাড় ক্রমে করছে শেষ
হিসেব মিলিয়ে সংগোপনে।

কাব্য আর কত করবে মন
বুঝতে চেয়ে বোঝে না মন
ফুরায় না কথার হিসেব যেন
লিখছি মাস আর দিনের সব।

অনেক অভিমান জমেছে মনে
ফিরতে চেয়ে হয়না ফেরা
তবুও তোমার থেকে দূরে থাকা
এ যেন নিজেকেই হারিয়ে ফেলা।




আমি হেরেছি
আবার ফিরে পেয়েছি,
আনন্দে হেসেছি
দুঃখেও কেঁদেছি।

বিশ্বাসের কাছে ঠকেছি
তাতে হয়নি কিছু ক্ষতি,
চড়াই-উতরাই আছে বলেই
জীবনে এতো স্ফূর্তি।

শুধু পাওয়া, না-পাওয়ায়
আটকে আমি থাকিনি;
সুখে দুঃখে সমানে চলেছি
জীবনের তাৎপর্যটা ঠিক বুঝেছি।





দৈনিক কবিতা -
শিরোনাম- গাজন মেলা 
সামীউল ইসলাম শামীম
তারিখ -১৬.০৪.২০২৪

,[=গাজন মেলা=]
চলো যাবো গাজন মেলা
বিকাল বেলা হলে,
আমরা সবে একসাথে যাই,
ছোট্ট মেয়ে কোলে।
আছে সেথা নাগর দোলা
ঘুরে বনবন করে,
যাত্রা শুনে কাল সকালে
আসব ফিরে ঘরে।
চুড়ি পরাবো পুতুল নেবো
তাল পাতার পাখা,
গরম ভারী পড়লো এবার
বৈশাখে তার দেখা।
প্রতি সনেই আসি হেথায়
শিব গাজন মেলা,
দেখি তথায় হাজার লোক
দিচ্ছে জোর ঠেলা।
গাজন মেলা ভিড়ের ঠেলা
জলাভাব আছে,
জল ছত্র খুললে ভালো
হেন মেলার কাছে।
(অপ্রমা) 



শুধু শুধু অন্যর জন্য চোখের পানি,
জড়িয়ে কী লাভ..?
তার চেয়ে পুরোনো স্মৃতি মুছে, 
সামনে এগিয়ে যাওয়া উচিৎ...!
সামীউল ইসলাম শামীম 




তোমায় ভালোবাসতে গিয়ে যতবার 
          শূণ্য হাতে ফেরেছি 
ততবার সেই হাত পৌঁছেছে 
        তোমার হৃদয় অবধি।
তাই আমার ভালোবাসার গল্প নেই 
       আছে শুধু হৃদয় ছোঁয়ার গল্প।



নদীর মতো বাঁধ দিয়েছ
সময়টা কে ধরতে চেয়ে,
সে থামে না প্রতিদিনই
নিয়ম করে যাচ্ছে বয়ে।

দু চার কথায় হয় নাকি শেষ
তাই তো সময় বাঁধতে চাই,
একটা দিনের বরাদ্দ শেষ
বাদবাকিটা কোথায় পাই?

নীরবতার খোলস ভেঙ্গে
একটু আরও এগিয়ে যায়,
অল্প সময়ও গল্প করায়
জীবন হয়ে যায় সুখময়।



চোখের জলে নদী হলে
হিসেব গুলো মিলিয়ে নিও,
বুকে ভীষণ কষ্ট হলে
একটু না হয় জিড়িয়ে নিও।

হঠাৎ ভীষণ ঝড় হলে
দমকা হাওয়া দখল নিলে,
একটু না হয় পিছিয়ে যেও
নিজেকে তুমি সামলে নিও।

চলতে জীবন কষ্ট হলে
সকল আশা নষ্ট হলে,
পৃথিবীটা লাগলে ছোটো
ঠাঁই নিয়ো এসে, আমার বুকে।


তুই থাকলেই আকাশটা ছাদ
পথ কে বলি বাড়ি,
তোর জন্য উদাস এ মন
আনন্দে লুটোপুটি।

তোর ছোঁয়াতে রুক্ষ ভূমি
হঠাৎ যেন সিক্ত,
তোর অভাবে জীবন শূন্য
খাঁ খাঁ মরু, রিক্ত।

এসব বড্ড সহজ কথা
তোতেই স্বপ্নাবাস;
শব্দে নয়, অনুভূতিতে
ভালোবাসার আভাস।




ভূলে যাইনি পরম যতনে,
রেখেছি তোমায় মনে।
তোমার আমার দেখা হবে;
শেষ বিদায়ের ক্ষণে।
সামীউল ইসলাম শামীম


কেউ ভালোবাসে স্বপনে,
কেউ বা বাসে গোপনে।
কারও ভালোবাসা প্রকাশ পায়,
কারও গোপনে হারায়।
সামীউল ইসলাম শামীম 


ভালোবাসা গোপনেই সুন্দর। 
চাঁদের আলোর মতো হৃদয়ে বাঁতি!
হয়ে জলে।এতে কারও ক্ষতি হয় না।
সামীউল ইসলাম শামীম




হৃদয়ের সীমানায় রেখেছি যারে
হয়নি বলা আজও ভালোবাসি তারে,

ভালোবাসি বলতে গিয়ে 
ফিরে ফিরে আসি 
কি  এক অজানা ভয়ে বলেনি তারে
আজও যে ভালোবাসি তারে!

কি করে বুঝাই তারে,
কতটা ভালোবাসি আমি তাহারে......!!



তোমার হৃদাকাশ,
আমার শেষ ঠিকানা।
তোমার অব্যক্ত কথা,
হৃদয়ে দেয় তীব্র ব্যথা।

মৌনতায় খুঁজি তোমার স্পর্শ,
দূর করতে ক্লান্তি অবসাদ।
মনের মাঝে তোমার পরশ,
স্নিগ্ধ মসৃন প্রেমানুভূতি।

আমি সুরের মোহে তন্দ্রা ঘোরে;
প্রজাপতির ডানায় মেলি আলতো চরণ।
কি আকুল টানে;
আমি হারাই তোমার বুকে।



তুমি বললে- বৃষ্টি নামবে
আকাশ মেঘলা হলে,
আমি বললাম- মেঘ দেখলেই
ময়ূর পেখম খোলে!

তুমি বললে- ময়ূর; পেখমে
হাজার নীল পালক,
আমি বললাম- তাহলে প্রতিদিন
এভাবেই বৃষ্টি হোক!

এমনি করেই কথাদের সাথে
কথাদের খেলা চলে-
আর দুটি হৃদয়কে একই তরঙ্গে
বেঁধে রাখে ওতপ্রোতে।



তুমিও রবে না আমিও রবো না 
        দুদিনের দেখা ভবে 
প্রান খুলে ভালোবাসা দিতে পারো 
        যদিও তাহা চিরদিন রবে।



আকাশ তলে প্রকৃতি বিছায়
কি অপরূপ মায়ার আঁচল
চক্রাকারে ঘূর্ণীয়মান ষড়ঋতুর
মায়া-মমতায় ঘেরা চাদর।

বইছে নদী মৃদু হাওয়ায়
স্নিগ্ধ শীতল মায়ায়
জলছবি আঁকে নদীর বুকে 
বৃক্ষরাজির ছায়ায়।

আকাশ, নদী, গাছ পথের বাঁকে
কত রঙের ছবি আঁকে
নীরবতায় হাজার গল্পকথা
জমা আছে পথের বাঁকে।




চমক জাগে মনে প্রানে
মনের মানুষ আজকে জানে,
দ্বিপ্রহরে বারান্দায়
অজানা কোন ইশারায়।

আমার ঘরে কে এসেছে
লুকিয়ে কেন ভালবেসেছে,
উন্মুক্ত শরীর জুড়ে
না জেনে আজ কে হেসেছে।

গোপন ঘরে আপন মনে
ছিটকানি আজ টানতে দাও,
দুপুর বেলা; ভরা কোটালে
এই জোয়ারে অংশ নাও।


কাবিননামা হারিয়ে গেছে
সাক্ষী গেছে মরে!
বউয়ের সঙ্গে এখন আমি
চলবো কেমন করে?

কাজীর কাছে ফোন করেছি
বন্দি সেও জেলে!
ঘুরতে গেছি বউকে নিয়ে
কাবিননামা ফেলে।

ভাবছি বসে হিসাব কষে
আবার করি বিয়ে!
কাজী অফিসে যাচ্ছি এখন
পুরাতন বউ নিয়ে।




আজ ছন্দ মহলে,
মিলছে দুটি মন।
মনে মনে বলবে ওরা,
কথা যে সারাক্ষন।
কথার মাঝে থাকবে,
গভীর ভালোবাসা।
ভালোবাসার মাঝে থাকবে,
দুটি মনের বেকুলতা।



    বেকুলতা
সামীউল ইসলাম শামীম 
আমি আজ সারাক্ষণ,
কাছে পাশে থাকি।
ক্ষণে ক্ষণে বেকুলতা,
ভালোবাসি বলাটা শুধু ছিল বাকি।
একটা তুমি কবে হবে,
নগদ কিংবা কারণ।
দুষ্টুমিতে কাটবে সময়,
কাটবে সারাক্ষণ।
হাঁসির মাঝে পড়বে নারে,
সবুজ নিশাকর।
বিন্দু জমে ফোকাস করে,
ভানু ভাসায় চর।
কুঞ্জলীণি প্রবাহিনী,
জলমগ্ন ভবে।
মন্দাকিনী দেখবে তোমায়,
কেঁই-মেঁই নাচে কুম্ভ সেজে কবে?





ঠিকানার খোঁজে যত এগিয়েছি 
         দেখেছি পৃথিবীময়
কোনো ঠিকানাই স্থায়ী নয় 
           সবই সাময়িক আশ্রয়।



সবাই চলো স্বপ্ন দেখি
উড়িয়ে দিই সকল বিরক্তি,
সকল মানুষ হোকনা সুখী
আমরা তো নই কেউ দুঃখী।

দূর করে দাও জীর্ণতা
ছুড়ে ফেলে দাও শূন্যতা,
শুরু হোক মনের ব্যাকুলতা
বেড়ে উঠুক মনের পবিত্রতা।

জেগে উঠুক প্রাণের আশা
দূর হয়ে যাক সব হতাশা,
শুরু হলো নতুন দিন
সবার জন্য অফুরান ভালোবাসা।





অবুঝ মনে 'যখন যেমন থাকি'
আচ্ছন্ন কবিতার খাতায়
জীবন যে বড্ড বেহিসেবি
ভাবনার দীপ্ত কলমের ডগায়।
মনের সুখে লিখে চলি
যাযাবর অক্ষরের ভাষা
ধমক দিয়ে লাগাম টেনে
সাজায় বর্ণবিন‍্যাসের গাঁথা।
শব্দ নেশা মেটায় শুধু
হৃদয়ের অনুভবের দর্শনে
মনের ক‍্যানভাস আচ্ছাদন হয়
রঙিন শব্দের গুচ্ছতে।



কি হয়েছে আমার মনে
জগতে শুধু তোমায় দেখি,
এ দুনিয়া তোমায় ছাড়া
কেমন যেনো একাদশী!

তুমি যখন মন পেরিয়ে
শরীর খানি স্পর্শ করো,
এ কেমন ভালোবাসায়
আমায় এমন আঁকরে ধরো।

কি হলো আজ আমার দেখো 
নতুন কিছু ভাবতে চাই,
তুমি ছাড়া এ মনে যে
ভাবনার আর কিছুই নাই।



চাঁদ এখনও মাথার উপরে আসেনি,
রাত জাগা নীরবতায়।
আলো ছড়ায় ক্ষয়ে যায় অমানিশায়!
আমি চাঁদের মত তার মুখের হাসি;
রাত ভালবাসে সে নীরব বলয়ে।
সে আমায় রাতজাগা-
পাখি বলে ডাকে ভালবেসে।
তার ডাকে প্রভাবিত হই,
আরেকটি নতুন দিন সাজাতে।
সজ্জিত রঙিন ভাবাবেগে,
তার আনন্দ সাজাই, পরম যতনে।



একটা জীবন পাতায় কত কথা লেখা,
থাকে কত ভুলের আসা-যাওয়া!
একটা জীবন কিছু সময়ের খেলা;
সকাল সন্ধ্যা কেবল দেয় দোলা।
একটা জীবন হতে চায় খোলা আকাশ
স্বপ্ন দেখে, বাঁধে কত আশা।

একটা জীবনে, আলোতে
একা হাঁটার চেয়ে..
অন্ধকারে বন্ধু সাথে নিয়ে হাঁটা উত্তম 
যদি সে তোমাকে বোঝে।



নিঃশব্দে বেঁচে আছে যারা,
ওরা প্রত্যেকে হেরে যাওয়া মানুষ।
কেউ স্বপ্নের কাছে হেরেছে, কেউ হেরেছে প্রতিপত্তির কাছে।
আর বাকি যারা?
সবাই একসাথে হেরেছে। শুধুমাত্র সম্পর্কে হেরেছে।
আর এটাই সবথেকে বড় হেরে যাওয়া।



স্বপ্ন গুলো জানি শেষ হয়ে হবে না,
থেকে যাবে অম্লান।
এভাবেই ঠিক চিঠি লেখা আছে,
এসে যাবে সেই দিন।
সামীউল ইসলাম শামীম




তুমি কবিতার মাঝে ছন্দ খুঁজো 
আমি তোমার মাঝে নিজেকে রাঙাই 
তুমি ভালোবাসার মাঝে শূন্যতা খুঁজো 
আমি শূন্যতার মাঝে প্রেম জাগাই 
তুমি অভিযোগের চিঠি লেখ
আমি সেই চিঠি লুকিয়ে পড়ি
তুমি হাসির চলে অভিনয় করো 
আমি ভালোবাসা ভেবে আলিঙ্গন করি।



ছুঁয়ে তো আছিই
তোমায়, সারাক্ষণ..
চাইলেই ছুঁতে চেয়ো
আমায়, যখন-তখন।

ছুঁয়েই তো আছি
প্রতিদিন, প্রতিক্ষণ;
স্পর্শহীন ছোঁয়ায়
নেই তো কিছু কম।

ছুঁয়ে তো আছিই তোমায়
বুকভরা ভালোবাসায়,
তোমার বিষন্নতায় আমায় ডেকো
আসবো ছুটে তোমার ইশারায়।


আজি বাজিবে মধুর বাঁশরি
প্রকৃতি বহিছে বায়,
জাগিবে জগৎ নতুন রুপে
বৈশাখেরই বার্তায়।

সবুজ শ্যামল ধরিত্রী মাঝে
পবণে দোলায়ে যায়,
তটিনী বাঁকে তরণী ছুটিয়ে
সাঁওতালে গান গায়।

হৃদয়ে বহিছে খুশির প্রেম
পলকে মননে সনে,
নতুন বছরে আসিবে পানে
বিমোহিত সবি জনে।




একদিন ছুটি হবে-
অনেক দূরে যাব।
ইচ্ছে টিয়ে ফুল সুটিয়ে;
আনন্দে হারাবো।

একদিন ছুটি হবে-
নীল আকাশে উড়বো।
মুক্ত হয়ে ছুটে বেড়াবো,
পাখি হয়ে উড়বো।

একদিন ছুটি হবে-
রঙিন ঘুড়ি উড়াবো।
ঘোড়া হয়ে নাজবো,
খুশিতে হারাবো।




প্রেম মানে গল্পের মিছিল 
মিষ্টি মনের হাসি
প্রেম মানে ঝগড়া 
তবুও তোমায় ভালোবাসি।

প্রেম মানে হাটবো সাথে 
হাতে রেখে হাত 
প্রেম মানে অপেক্ষা ঠিক 
দিন কিংবা রাত।

প্রেম মানে হঠাৎ আড়ি
হঠাৎ কাছে আসা
প্রেম মানে তোমার মনে 
আমার ভালোবাসা ।




আমি আমার মতো
আমার যতো, কান্না হাসি
দুঃখ ব্যথা স্বপ্ন আশা
সকল কিছু আমার ভাষা।

আমি আমার মতো
যখন যেমন, তখন তেমন
নিজেই ভাঙি নিজেই গড়ি
কঠিন, কোমল আমার এ মন।

সৃষ্টি নিয়ে মেতে থাকি
হাসি খুঁজি ফুলের মাঝে,
আমার মতো আমি বাঁচি 
নিজের মাঝে রানী সাজে।




ইচ্ছেরা খুব খামখেয়ালি
তোকে ছুঁতে চাই,
ইচ্ছেরা বড্ড বেখেয়ালি
ভুলে, তোর ঠিকানায় যায়।

ইচ্ছের খামে, তোর ঠিকানা
ইচ্ছের রঙ নীল-
তোর আর আমার ইচ্ছের;
যদিও বা নেই মিল।

ইচ্ছের বাড়ি মন পাঁজরে
প্রেমের হয় চাষ,
ইচ্ছের ঘরে প্রতিনিয়তই
বসন্ত বারোমাস।




হয়ত তুমি চলে যাও
ফিরে ফিরে কেনো চাও তবে,
দুঃখ সুখ যা-ই দাও
জীবন আমার পূর্ণ করে দিলে।

কষ্টের নদী পার না হলে
মুক্তি মিলে না জীবন অতলে,
সে এক কঠিন সন্তরণ
শৈশব হতেই অবগাহন।

উপরে অসীম আকাশ
মাঝে বিপুল পৃথিবী,
তারই মাঝে ফিনিক্স পাখির মতো
শুধুই উড়ে চলা এই তুমি, আমি।


নদীর নামটি সুখ;
তার প্রেমে ভরা বুক।
সে চলে যায় দূরে,
তাকায় না ভুলেও ঘুরে।
প্রাণভরা হাসি কী নিবিড়,
ছায়ায় ঘেরা দুই তীর।
ডাক দেয়, স্মৃতি করে ভিড়।
ঢেউয়ে রুপোর রৌদ্র হাসে,
সুরে সারাজীবন ভাসে।
একই দেহে কত ভালবাসা;
জলের আদরে শত আশা।
এর ঢেউয়ে মেটে ক্লান্তি,
মায়ায় বাঁধলেই হয় ভ্রান্তি।



কাল রাতে ঘুম আসেনি
হয়তো কিছু ছিল বাকি,
চাঁদ উঠেছিল নিয়ম মেনে
তবু কিছু ছিল ফাঁকি।

কাল রাতে ঘুম আসেনি
ঘুমপাড়ানী আসেনি তাই;
হয়তো তুমি আসবে বলে
মন ছিল তাই অপেক্ষায়।

কাল রাতে ঘুম আসেনি
তার সঠিক কোন কারন নেই,
তবু ঘুমহীন এই আঁধার রাতে
দুজন মানুষের দিব্যি বাস।



প্রেম দিয়ে ছিল কথা 
যদি তুমি যাও দুরে
আমায় একা করে ডাকবো কো পিছু 
আমি রব পড়ে স্মৃতির হাতটি ধরে।

প্রেম এসেছিলো সাজিয়ে দিতে মন
ছেড়ে গিয়ে ভাসালে নয়ন
তোমার হৃদয়ে এলো সোনালী সুখের ভোর
তাই তো তুমি চলে গেলে দুর।


খুশির খবর নিয়ে এলো
ঈদুল ফিতর,
খুশিতে মন উঠছে নেচে
সকল মুসলিমের অন্তর।

একটি বছর পরে ঈদ
আহা কি যে আনন্দ, 
আকাশে বাতাসে পাই
জাফরানির গন্ধ।

এইদিনে এসো তবে
বন্ধু হই সবাই,
খুলে দ্যাখো মনের দুয়ার
কারো মনে হিংসা নাই।




আত্মা যদি চায়,
আত্মায় আত্মায় আত্মীয়তা
আত্মার আয়ত্ত, মহান মহত্ত্ব
আত্মা খুঁজে পায়।

স্বার্থ বিহীন আত্মা শ্রেষ্ঠ
স্বার্থ এলেই আত্মা নষ্ট,
আত্মা আসে স্বর্গ থেকে
আত্মার পাশে স্রষ্টা থাকে।

আত্মাকে তাই কেউ করোনা
মিথ্যায় কলুষিত,
আত্মা রেখো শুদ্ধ শুচি
পূর্ণ বিকশিত।


অল্প সময় গল্প করার, তবু গল্পে ভরায় চিত্ত
গল্প শোনা ছল বাহানা দূর করা একাকিত্ত!

কারো হাতে সময় নেই, ব্যস্ততায় ব্যস্ত-ক্ষণ
কেমনে কাটবে অবসর দূরে সরে প্রিয়জন!

জীবন বোধে চলছে, যে যার নিজের মতন
দূরাভাষ মোবাইলেই হয় নিঃসঙ্গতার মরণ।


সেই মেয়েটা হতে চায় পাখি
আজকে ভাবে ঈগল পাখি হবো
কালকে ভাবে সিন্ধু সারস হই;

সেই মেয়েটা ভীষণ জেদি
জেদ ধরেছে, সমুদ্র আকাশে
দুই ডানা তার মেলবে দুই পাড়েতে!

সেই মেয়েটা ভীষণ উড়নচণ্ডী
শেষ অবধি জেদ রেখেছে ঠিক
মেয়েটি হবে শেষ বিকেলের ঈশানকোণের রোদ!




খুশির খবর নিয়ে এলো
ঈদুল ফিতর,
খুশিতে মন উঠছে নেচে
সকল মুসলিমের অন্তর।

একটি বছর পরে ঈদ
আহা কি যে আনন্দ, 
আকাশে বাতাসে পাই
জাফরানির গন্ধ।

এইদিনে এসো তবে
বন্ধু হই সবাই,
খুলে দ্যাখো মনের দুয়ার
কারো মনে হিংসা নাই।




আমি পথ চেয়ে বসে থাকি রোজ,
তুমি নিবে বলে প্রতিটি ক্ষণে খোঁজ। 
কিন্তুু বল কবে পাবো তোমার দেখা,
আমি যে আজ বড় একা।
সামীউল ইসলাম শামীম




কোথায় হারিয়ে যাই পুরাতন আমি 
কাকে চেয়ে পথ চলে মোর অন্তর্যামি
প্রতি পদে জড়িয়ে আছে কতনা মরণ
যদি ফিরে যাই সেই অতীতের পানে
হৃদয় চলছে কি যেন এক সন্ধানে 
ছুঁতে যায় সে যেন কোন দিগন্ত রেখা
শেষ তার কখনও যায় যায়না যে দেখা।
সামীউল ইসলাম শামীম 


না পাওয়া সবই সুন্দর
অপূরন তাই বারে বারে পড়ে মনে,
খোলা আকাশ ছিল কাছে
তবু মন কেন আটকে ঘরের কোনে।

পছন্দ করোনা তুমি
তাই আজ করা হয়না ভুল গুলি,
জোর করোনি কোনদিন
দিয়েছ মর্যাদা আমার ইচ্ছে খুশির।

জানি, তোমার ভালবাসা
দিন দিন বাড়ছে অবিরত,
খোদার পরে তোমার কাছে
হই যে আমি নত।



চার বর্ণের ছোট্ট কথা,
করতে পারে বিশ্ব জয়।
মিটতে পারে ঝগড়া বিবাদ,
বলতে পারে যুদ্ধ নয়।

আনতে পারে শান্তি মনের,
আনতে পারে বিশ্বময়।
আনতে পারে সৌহার্দ্যতা,
করতে পারে স্নিগ্ধময়।

বলতে পারলে যখন তখন,
বন্ধু কিংবা প্রিয়জনা।
ছোট্ট শব্দ চারটি বর্ণের,
একটি মাত্র 'ভালোবাসা'।





শরীর তবুও ছোঁয়া সহজ,
কঠিন, মন স্পর্শ করা।
প্রতিপল ঠকেছে সে,
শরীরকে মন ভেবেছে যারা।

মনের সীমানায় কঠিন প্রাচীর
ভেদ করা নয় সহজ,
শরীর স্পর্শ হয়েছে রোজ
তবু, মন রয়েছে নিখোঁজ।

শতাব্দিকাল সাথে থেকে
সম্পর্কের বন্ধন রেখে,
মনের ছোঁয়া তখনই পাবে
মন যখন মনের যতন করবে।



সারা শহর খুঁজে বেড়াই, 
তোর যদি দেখা পাই!
চোখ বুজলেই শুধু তোরেই দেখি, 
খুললে দেখি তুই নাই !!
ও আমার উড়াল পাখি রে-
ফিরে আছিস ক্লান্ত হলে 
ছায়া হয়ে রবো তোর পাশে মনে রাখিস এই আমারে!



সমস‍্যা তোমাকে
মানুষ চিনতে শেখায়,
সমস‍্যা তোমাকে
থামানোর জন‍্য আসে না,
বরং পথ দেখানোর জন‍্য আসে।

জীবন মানেই যুদ্ধ সংগ্ৰাম,
কেহ জেতে, কেহ হারে,
প্রতি পদে পদে
জীবনের স্বপ্ন গুলো
সংগ্ৰাম করেই বেঁচে থাকে‌।

তাই জীবনকে চ‍্যালেঞ্জ জানিয়ে
জীবনের জন‍্য লড়ে যাও
সফল তুমি অবশ‍্য‌ই হবে।




আকাশ ছোঁয়ার ইচ্ছেটাকে,
বুকের ভেতর পোষে রাখো।
স্বপ্ন আশা শ্রদ্ধা নিয়ে,
সাফল্যকে সামনে ডাকো।

বড় কিছু পেতে হলে,
স্বপ্নটাও তেমন হবে।
ধৈর্যটাকে পুঁজি করে,
শ্রমে ঘামে লক্ষ্যে রবে।

সৃষ্টিকর্তার দয়া অসীম,
পরিশ্রমীকে দিতে জানে।
নিজের উপর আস্থা রেখে,
এগিয়ে যাও মনে প্রাণে।

সামান‍্য মানুষ আমি 
           তাই চিরকাল নত হই
হৃদয় দিয়ে ছুঁয়ে দেখো 
         কেবলই প্রেমিক আমি কবি নই।





চাঁদের হাসিটা ফিকে হয়ে যায় 
কালো মেঘের আড়ালে 
আমার মুখে হাসি কি করে খুঁজে পাবে 
তুমি দুরে হারালে 
বিষাদের জল টলমল করে 
আমার দুটি আঁকিতে 
নিদ্রাহীন রাত একাকিত্ব নিয়ে 
নেমেছি কবিতার সন্ধানে 
যায় না লেখা এখন আর কবিতা 
তোমার আমার এমন ব‍্যাবধানে।


আজ অভিমান কিছু নেই,
     নেই কোনো অভিযোগ।
ধীরে ধীরে কেটে গেছে,
        সব যোগাযোগ।

আজ আছে কিছু ছায়া 
       স্মৃতিদের গান 
মায়া গুলো কি দারুণ 
        বাঁধে পিছুটান।





যখন নিজেকে ধনী বা বড় মনে হবে,
তখন অন্তত কয়েক মিনিটের জন্য-
কবর স্থানে ঘুরে আসেন। 
সামীউল ইসলাম শামীম


যখন নিজেকে নিশ্ব মনে হবে,
তখন ফুটপাতে থাকা মানুষের কাছে,
ঘুরে আসবেন।
সামীউল ইসলাম শামীম 





চোখে যদি তাকাও হেসে 
একটু না হয় যাবো ফেঁসে, 
ছুঁয়ে থাকো নজর জুড়ে
বন্দী রাখো, চোখের কার্নিশে।।
সামীউল ইসলাম শামীম 



জন্ম হলে, মরণ হবেই
থাকবে না কেউ চিরদিন,
যে কটা দিন হেথা আছো
শোধ করে দাও সবার ঋণ।

জন্ম নিয়ে আসলে তুমি
এই ধরণির মাঝখানে,
জীবনটা কী ? জানতে হবে
"জীবন" কথার ঠিক মানে।

জীবন মানে কর্ম মাঝে
থাকতে হবে দিবস রাত,
কাজই তোমায় রাখবে মনে
শত্রু মিত্র সবার মাঝ।




বেশ তো ছিলাম আমি
নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত,
রাতের আলো গায়ে মেখে
নিজেতেই আমি মগ্ন।

হটাৎ তুমি এলে যেন
স্বপ্ন প্রদীপ জ্বেলে,
কল্পতরু গল্প কথায়
মায়ার আদর ঢেলে।

আমার কথারা তোমায় নিয়েই
এখন শব্দমালা গাঁথে,
দিক নির্দেশ কেনো করো তুমি 
অচিন অজানা পথে?





কথা শুধু কথা নয়
দগ্ধ মন সুস্থ করার থেরাপি
কথোপকথনে মন হালকা হয়
কোন কারণে মন খারাপ হয় যদি।

কথায় কথায়, আলোচনায়
সঠিক পথের দিশা মেলে
কথায় থাকে, জল মাটি বাতাস
ভালোবাসার জন্ম দিতে পারে।

কথা শুধু কথা নয়
কথা সম্পর্কের জং পরিস্কার করে
পারস্পরিক কথোপকথন
জীবনযাপন দীর্ঘ সুস্থ রাখে।





 কবিতা শুধুই কবিতা নয়
সামীউল ইসলাম শামীম 

একটি কবিতা একটি রাষ্ট্র, 
একটি কবিতা একটি সরকার।
একটি কবিতা একটি অস্ত্র, 
একটি কবিতা একটি পৃথিবী।
একটি কবিতা একটি সমাজ,
একটি কবিতা শুধুই কবিতা নয়।
একটি কবিতা একটি পরিবার,
একটি কবিতা একটি স্বাধীনতা।




        বিসর্জন
সামীউল ইসলাম শামীম 
যাদের জন্য বিসর্জন দেবে
নিজের জীবন যৌবন 
একদিন সেই অকৃতজ্ঞরা 
করবে তোমায় হরন।

যাদের একটু সুখে রাখতে 
নিজেকে করেছো বিক্রি 
তারা তোমায় নিলামে তুলবে 
জারি করবে ডিক্রি।

সব কিছু ঢেলে দিও না 
নিজের জন্য কিছু রাখো 
এই পৃথিবীর রূপ রস
নিজের শরীলে কিছু মাখো।



অজানা অসুখে ভেসে গেছে মন
অভিমানে দিয়ে ছিলে যখন আড়ি
এই যন্ত্রণা ঘেরা আদুরে শহর 
হয়েছে বড্ড অহংকারী।

ভালো আছি বেশ তুমি ভালো থেকো 
দেখা না হোক কথা না হোক 
হিসাবের খাতা না হয় 
থেকে যাবে একটু অগোছালো।
সামীউল ইসলাম শামীম 





 তোর হাঁসি
সামীউল ইসলাম শামীম 
তোর হাঁসি আমার জীবনের সবুজ বন্ধন,
সদা আলোকিত হয় সময়ে,
অন্ধকারে আমার সন্ত্রাসের,
সম্প্রতি ক্রন্ধন।

মুখের হাসিতে গভীর আছে,
আনন্দের গান,
তা শোনার জন্যে হারিয়ে যায়-
সমস্ত দুঃখের মরুভূমির ভাঁজে-
জোয়ারের বান।

তোর হাসির অমৃত;
দ্রুত ছড়িয়ে গেল আমার-
মনের ব্যাথা,
তাই হৃদয়ে হাসির বন্ধন,
স্থির হয় প্রাণের আধারে কথা।

সুখের ফুল ফুটিয়ে উঠে,
তোর হাঁসির মেঘে।
জীবনের সমৃদ্ধি অনেকটা মনে হয়,
জোয়ার বৃষ্টির সমান বজ্রভেগে।

তোর হাঁসি আমার সত্য শোভা,
তা পায় যে সবাই,
তাই জীবন হয় স্বর্গীয় রোদ্দুর,
চিলে কোঠায় কী শোভ পায়।
সামীউল ইসলাম শামীম 





ভালোবাসা সূর্যের আলোর মতোই সুন্দর,
যদি থাকে দুরে।
তখনই কাছে থাকলেই ভালোবাসা অসুন্দর,
কেননা কাছের কোনো কিছুর মূল্য থাকে না। 
সামীউল ইসলাম শামীম


রান্নার চেয়ে কান্না ভালো,
হাওয়ায় ভাসানো চুল।
চোখের জলে দাগ কেঁটেছে,
লাল গোলপ ফুল।
সামীউল ইসলাম শামীম 






শূন্য পকেটে মানুষ চেনায় 
কেইবা থাকে পাশে 
থাকলে টাকা জগত তোমায় 
বড্ড ভালোবাসে।
সামীউল ইসলাম শামীম 



শতকের ভিড়ে খুঁজে চলি সদা
        খুব চেনা এক মুখ
কষ্টের কাছে বাজি রেখে আমি  
         হাতড়ে চলছি সুখ।
নেশার মতো দিন কেটে যায় 
         রাতে শুধু অপেক্ষা অবিরত 
এলে ফিরে সাজাবো তোমায় 
         তুমি যে আমার ব‍্যক্তিগত।

🌿🌹🥀শুভ রাত্রি 🌿🌹🥀


নতুন করে শুরু  আলো
স্বপ্ন শুধু ঘুমেই ভালো 
বাস্তবতা কঠোর ভাবে শিখিয়ে দিলো 
কেন ডানা মেলতে মানা
সেকি শুধু স্বপ্নেই দেয় হানা।

🍃🌿🌹শুভ সকাল 🍃🌿🌹

তোমাকে আজ সাজবো বলে 
শিমুল পলাশ বন হতে আবির 
রাঙা শাড়ী কর্জ করে এনেছি
তুমি তা অঙ্গে জড়িয়ে নিও।

তোমাকে আজ দেখবো বলে 
বসন্ত আকাশে জড়িয়ে দিয়েছি
ভালোবাসার সাতরঙা রংধনু 
তুমি সেই রংধনু দেখে নিও।

তোমার ভালোবাসি শুনাবো বলে
হাওয়ার মিশিয়ে দিয়েছি 
তুমি শুনে নিও।


যদি ঢেউ কোনোদিন
বালুচরে ফিরে এসে 
তোমাকে ভাসিয়ে নিই তবে 
তুমি কি রাজী হবে ভাসতে।

যদি মনের জানালা খুলে
হাওয়া হয়ে ছুটে এসে 
হঠাৎ তোমাকে বলি চলো 
তুমি কি চাইবে যেতে বলো।

যদি হঠাৎ করে এসে 
তোমাকে বলি ভালোবাসি 
তবে তুমি কি চাইবে 
আমাকে ভালোবাসতে।

আলোকিত হোক আধাঁর সকল 
সুখী হোক তোমার গৃহকোন
খুশী ভরা থাক আমাদের ধরা 
ভালো থাক প্রিয়জন।

যদি কখনো একা লাগে 
মন খারাপের রাতে 
ভেবে নিও পাশে আছি 
আমি তোমার সনে।

যদি কখনো  আমার ছবি
তোমার চোখে ভাসে 
সেই দিনও থাকবো তোমার পাশে 
তোমার মনের কাছে।

তোমার কাছে চেয়ে ছিলাম 
জীবন রাঙার ফুল 
তুমি আমায় দিয়ে গেলে 
পাহাড় সমান ভুল।

তোমার কাছে চেয়ে ছিলাম 
আলোকিত রাত 
তুমি আমায় দিয়ে গেলে 
কালো বজ্রপাত।

তোমার কাছে চেয়ে ছিলাম 
ভালোবাসার গান 
তুমি আমায় দিয়ে গেলে 
মিথ্যে প্রতিদান।

কয়জনেই বা সইতে পারে 
ভালোবাসার বঞ্চনা 
অনেকেই তো প্রেম করে 
ভালোবাসতে পারে ক'জনা।

ক'জনেই বা সইতে পারে 
প্রিয় হারানোর বেদনা 
অনেকেই তো ভালোবাসে 
কাছে নিতে পারে ক'জনা।

মুখে হাসি ধরে রেখে 
মনে মনে করে ছলনা 
অনেকেই তো কাছে আসে 
সত্যি ভালোবাসে ক'জনা।

আমি তোমাকে সত্যি ভালোবাসি,
তোমার সামনে দিয়ে আসি।
কেমন করে বলবো বল,
দুজন দুজনে হাটবো পাশাপাশি।
সামীউল ইসলাম শামীম





স্বপ্ন গুলো দেখি আমি,
দেখি অনেক বেশি।
স্বপ্ন গুলো মুছে গেছে,
হেঁটে পাশাপাশি।
সামীউল ইসলাম শামীম 


এই পথগুলো না,
শেষ হয়।



সুন্দর চেহারার দিকে,
গুরুত্ব না দিয়ে।
সুন্দর আচরণ এবং সততার,
দিকে গুরুত্ব দেন।
মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে সুন্দর,
দেহের পরিসমাপ্তি ঘটবে।
ঘটবে না শুধু,
সুন্দর আচরণ এবং সততার।
সামীউল ইসলাম শামীম 


সময় কে মূল্যায়ণ করে,
বাস্তবতা সময়ের সাথে মোকাবিলা করে-
সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।
সামীউল ইসলাম শামীম 





আমি তো হারিনী কখনোই,
হার দেখেছি শতবার।
অস্তিত্বের সাথে লড়াই করে,
বিজয়ী হয়েছি বহুবার।
সামীউল ইসলাম শামীম 

যেদিন আমি চলে যাব,
অজানাতে পারি।
খুজবে সেদিন ইচ্ছে হলেও,
ফিরবো না আর বাড়ি।
সামীউল ইসলাম শামীম



বাস্তবতা বড় কঠিন,
কঠিন হলো মন।
তার চেয়ে বেশি কঠিন,
চেনা প্রিয় জন।
সামীউল ইসলাম শামীম 

ফুল শুধু পাপড়ি হয়ে,
ফোঁটে না।
পাতা হয়েও,
ঝরে পড়ে।
সামীউল ইসলাম শামীম 


আমি যতোই পড়ি,
ততই শিখি শুধু থেকে বই।
একা একা বরিং লাগে,
পাখির কাছে, ফুলের কাছে-
মনের কথা কই।
সামীউল ইসলাম শামীম





কে কী করলো,
         সেটা বড় বিষয় নয়।
আমি কী করতে পারলাম,
          সেটাই মূখ্য বিষয়।
সামীউল ইসলাম শামীম 

সবাই যেমন কাজ না দিয়ে,
অভিজ্ঞ লোক চায়।
ঠিক তেমনি কেউ ভালো হতে,
সাহায্য করে না বরং-
পার্ফেক্ট খোঁজে।
সামীউল ইসলাম শামীম 


            সাক্সেস
সামীউল ইসলাম শামীম 
ভালো পোশাক কেনা success নয়,
নয় তো দামী গাড়ি।
মৃত্যুর পড়ে লাগবে তোমার,
সাড়ে তিন হাত শাড়ী।
ভালো ভালো result করা-
success তো নয়,
অন্তরেতে ঢুকিয়ে রাখ,
আল্লাহ রি ভয়।
দুই দিনেরি দুনিয়াতে মাতছো,
সাজে সাজে।
মূল্যমাণ সময় টুকু নষ্ট করছো,
তুমি বাজে কাজে।
মার্সিটিসে ঘুরে বেড়াও,
গায়ে লাগাও এসি।
সাড়ে তিন হাত বডিতে তুমি,
কালেমা জাগাও বেশি।
success,success বলে তুমি,
ঝড়াচ্ছো মিথ্যা দুনিয়ায়।
সত্য মিথ্যার পার্থক্য তো,
বোঝা বড়ই দায়।


Good Morning জানানো মানে মনে  হয়, 
মৃত্যুর (warnning) ওয়ার্নিং এসেছে।
সামীউল ইসলাম শামীম 
 

Popularpoetswriter

আমি আমার অবসর সময়ে কবিতা লিখতে অনেক পছন্দ করি।

Post a Comment

Previous Post Next Post