কিছু কথা

 পৃথিবীতে লোভের শেষ নেই

অতি আকাঙ্ক্ষা সবার মনে

লোভ বাসা বেঁধে মনের কোণে

অন্তরে ক্ষতের ছাপ ফেলে।


জীবনে আনে অন্ধকার

বিধ্বস্ত করে জীবন

লোভ যেন এক বিষাক্ত

অশান্তির সূচনা পথ।


ক্ষণস্থায়ী এই জীবন

লোভে হারায় সঠিক পথের চিহ্ন

লোভের শেকল ভেঙে

এসো সন্ধান করি সত্যের ছন্দ।



তোমার নামের আকাশ,

           গোধূলি সন্ধ্যায় নামা

শহর টাও জানে।

         যে তোমাকে কতটুকু ভালোবাসি। 

রোজ চিঠি লেখি তোমার নামে

         রাত্রির নিয়ন আলোয়।

প্রদীপের শহরে

         তুমি খুজেঁ নিওআমায়  

শব্দে গাথা চিঠির মাঝে।




অন্যর পেশাকে সম্মান এবং শ্রদ্ধা করতে শিখুন,
অন্যদেরকে বিশ্বাস করতে শিখুন।
মনে রাখতে হবে চোর কিন্তু সবাই কে চোর ভাবে?
---- সামীউল ইসলাম শামীম

যেখানে ফুটিবে ফুল;,
সেখানে আসিবে ভ্রমর।
কেই বা এনে সার্টিফিকেট;
হয়েছে চির অমর।
-- সামীউল ইসলাম শামীম



মিথ্যা কথা বলে গর্ব করার চেয়ে,
সত্যি কথা বলে চুপচাপ সরে যাওয়াই শ্রেয়।
--- সামীউল ইসলাম শামীম

  পথহারা পথিক
সামীউল ইসলাম শামীম
পথ হারিয়ে পথেই থাকি;
কেমনে ভূলিবো বল।
তোর ছবিটা বুক পকেটে,
থাকবে অবিচল।

শেষ দেখাটাও করলি নারে,
করলি শুধু হেলা।
আজকে আমি বেকার বলে,
করলি অবহেলা।

একদিন বুঝবি রে তুই,
কেড়ে ছিলি সময়।
ভালোবাসার নামে শুধু;
করলি অভিনয়।

সারাজীবন সাথে থাকবি,
দিয়ে ছিলে কথা।
চোখে চোখ রেখে তুই,
পারি দিবি ব্যথা।

একটি বারও ভাবলি নারে,
তুই স্বপ্ন কেড়ে নিলি।
কি ছিল অপরাধ,
নয়ন ভরা অশ্রু দিয়ে গেলি।



কেউ অহংকার করে সৌন্দর্যের,
কেউ বা করে মেধার।
কেউ করে জমিদারি,
চিটার আর বাটপার।

ঘর নেই বাড়ী নেই,
মোটর সাইকেল নিয়ে ঘুর।
পড়ায় নেই কাজেও নেই,
মেয়ে নিয়ে ঘুরে। 




একটু গাছের নিচে বসে,
বিশ্রাম ভাবি।



ছেলে রা
দিনের পর দিন, মাসের পর মাস বছরের পর বছর পর্যন্ত নিজের জীবনের সাথে যুদ্ধ করে...
কখনো হার মানে না, কিন্তু হেরে যায় দুইটা জায়গায় এক প্রিয় মানুষের কাছে। দুই পরিবারের কাছে

---সামীউল ইসলাম শামীম

নয়তো আমি কোটি পতি,
নয়তো অনেক দামি।
একটুখানি জায়গা দিও,
তাতেই থাকবো আমি।

--সামীউল ইসলাম শামীম



কাঁধের পাশে কাঁধ মিলিয়ে
হাঁটতে যাওয়ার শখ।
সুখ খোঁজা সেই মানুষগুলোর 
শান্তিতে বন্ধক! 

পথেই আছে, তবুও ঠিক 
পথের থাকে খোঁজ।
সেই পথিক সাজা মানুষগুলোই 
হারিয়ে যায় রোজ। 🪜🥀


আজ মেঘময় জ্যোৎস্না রাত
সিলিকন ধূলায় ভরে চক্ষুতে
সাদা কালো মেঘমায়া স্বপ্ন
নিয়েছে দু নয়নে ভরে।

উত্তর দক্ষিণের নেই পরিচয়
কোন কালে; কোন ক্ষণে
তবুও মুখোমুখি দৃষ্টিগোচরে
একে অন্যের যতনে!

মায়া মাখা চাঁদের হাসি
পুলকিত বোধ জাগে
অস্থির আবহে কিছুটা দূরত্বে
সুর বাজে অবাঞ্ছিত ছন্দে।



আমার, আমিতে আজ কিছুটা
তুমি মেশানো গল্প হোক
গোছানো দিনটা আজ একটু
অন্যরকম অগোছালো হোক।

মায়াবী ইন্দ্র নীলে নীল
হাসির ছায়া ঘরে হাসে
আমারেই আমি বুঝতে না পারি
বিব্রত অবকাশে!

এক ঘন নীল আকাশে
কিছুটা রংধনু ছটা হোক
মায়া মেশানো; এমন ক্ষণে
তোমার হাতে আমার হাত হোক।


আজ আছে কিছু ছায়া,
       স্মৃতিদের গান।
মায়া গুলো কি দারুণ,
        বাঁধে পিছুটান।



কেন জানি কেটেছে নিছক,
কোমলতার অনল।
অজস্র নিস্তব্দে ঝরছে,
নেত্র অবিছল।
---সামীউল ইসলাম শামীম

কেন জানি কেটেছে সময়,
ভেঙে গেছে জানি।
কতটা জেগে ছিল মনে,
জেনেছি একটু খানি।
---সামীউল ইসলাম শামীম

তোর কাটছে সুন্দর ভোর,
হাঁসি মাখা দিন।
নির্ঘাত চামকা চিৎকার,
অতিক্রান্ত প্রস্তিণ।
---সামীউল ইসলাম শামীম



নো ছেকা, নো বেকা,
Just I am a simple man. That's I.
সামীউল ইসলাম শামীম

যে ব্যক্তি তার মনের কথা,
খুলে বলতে পারে সেই তো আসল জ্ঞানী।
সামীউল ইসলাম শামীম


আসলে এই যুগে কাউকে;
অসম্ভব ভালোবাসতে নেই?
সে হয় পাগল না হয় খারাপ। 
সামীউল ইসলাম শামীম

ভালোবাসাটা অপরাধ নয়,
অপরাধ হচ্ছে ধোঁকা দেওয়া।
সামীউল ইসলাম শামীম


যে ব্যক্তি তার প্রিয় মানুষকে ভালো লাগা;
এবং ভালোবাসা কথা বলতে পারে না,
পৃথিবীতে সেই ব্যক্তিই সবচেয়ে বড় অপরাধী।
সামীউল ইসলাম শামীম

সরল মনের সাথে বিশ্বাস,
নিয়ে খেলাটা সবচেয়ে বড় অপরাধ।
সামীউল ইসলাম শামীম




         ভাষা
সামীউল ইসলাম শামীম
তোমার জন্য পথ চেয়ে,
বসে থাকি ওই।
কেটেছে কত সকাল, বিকেল,
তোমার দেখা পাবো কই।

কিছু কথা রয়ে যায়,
বিন্দু হৃদয় কোণে।
এই কথাটি যত্ন করে,
মূল্যটা বুঝে কয়জনে।

সব কথা কি যায় রে বলা,
মুখের ভাষা দিয়ে।
কিছু কথাতো বুঝে নিতে হয়,
চোখের ভাসা দিয়ে।

মুখের লজ্জায় বলতে পারে না,
তোমায় ভালোবাসি।
কেঁদে কেঁদে অশ্রু ঝরায়,
গোপন হৃদয়ে পড়ে ফাঁসি।



পিতার নামে কন্যা খাচ্ছে, কন্যার নামে নাতি, 
নাতির নামে পুতি খাবে, উপোশ থাকবে জাতি.!!
বাবার পেশা ছেলে পাবে, ছেলের পরে নাতি।
চাষার ছেলে চাষাই রবে,
কোটায় গড়া জাতি!
কোটা প্রথা নিপাত যাক, মেধাবীরা মুক্তি পাক।
সামীউল ইসলাম শামীম


একজন মানুষের রোজ জন্ম ও মৃত্যু হয়।
সামীউল ইসলাম শামীম


যার কাছ থেকে বিশ্বাস উঠে যায়,
তার কাছে সেই ব্যক্তির মৃত্যু হয়।
সামীউল ইসলাম শামীম


যারা সত্যিকার অর্থে তোমাকে ভালোবাসে,
তাঁরা কখনো তোমার কাছে অর্থ-সম্পদ চাইবে না।
তাঁরা নিসার্থ ভাবে তোমাকে পেতে চাইবে,
সব সময় তোমাকে সাপোর্ট করবে।
সামীউল ইসলাম শামীম



   রাত্রি যাপন
সামীউল ইসলাম শামীম
রাত্রি কাটে জেগে জেগে,
নিদ্রা নাহি চোখে।
এতো কষ্ট চেপে বুকে,
কেমনে হাঁসে সুখে।

দিন কেঁটে যায়,হেলায় দুলাই;
পাইনি একটু টের।
এতো যত্নে রাখছি বুকে,
দূ:খ দিল ঢের।

কাঁদি রাত্রে শুয়ে শুয়ে,
কি দোষ ছিল বেশি।
সুখের চোখে অশ্রু ঝরে,
কাঁদি দিবানিশি।

হাঁসতে হাঁসতে ঘুমায় যখন,
নয়ন দুটি আঁখি।
বুক পকেটে তোর ছবিটা,
সদায় আগলে রাখি।




সব সময় নিজেকে অপরাধীর পাল্লায় মাপবেন না,
মাঝে মাঝে নিজেকে ন্যায়ের পাল্লায়ও মাপা উচিৎ।
সামীউল ইসলাম শামীম



সুস্মিত ফুল
সামীউল ইসলাম শামীম 
রিক্তের চেয়ে শুন্য ভালো, 
প্রত্যাহে বসেছে মেলা,
অপেক্ষার প্রহরে।
নীলক্ষার নীলে ভেসে ওঠে, 
সুস্মিত ফুলের বাহারে,
কালক্ষার মিরলে বেজে,
নিরন্নতার শহরে। 
পলক্ষার বিহরে খুঁজেছে,
আম্রকাননের চটিয়ে।
সার্মভরে বাহার দিয়ে, 
রেগে মেগে, 
পড়েছে লুটিয়ে। 
কালিন্দপুরের সুবরন্ধে,
কাতর হবে ফিরিয়ে।
ডুমুর ফলের,
 আস্ফালনের মতো, 
পেকেছে অল্প খনে।
চিরন্তন শিখার মতো, 
একেছে যন্ত্রণা,
ঘুনেছে হাজারও জনে।




আপন আত্মার শুদ্ধতাই
মনকে বিশুদ্ধ করে,
রুক্ষতা ভুলে মূর্খতা ভুলে
হৃদয় হাসুক জ্ঞানে।

কথার আবেগে কথার বিবেকে
কথার শক্তি দ্বারা,
অন্ধজনও দেখতে পায়
নীল আকাশের তারা।

কথা সুমহান কথা ঈশ্বর
কথাই প্রেমের সুর,
সে কথাই বলো, যে কথায় 
হাসে সোনা ঝরা রোদ্দুর।


অতীত যেখানে সাঁতার কাটে
সেটাকে বলে; জীবন্মৃত
আদান-প্রদান দিব্যজ্ঞানে
ডুব সাঁতারে আহুতি ঘৃত।

আগামী দেখে ঘুমোতে চাওয়ায়
চোখ বুজে দেয় অতীত
স্মৃতিশক্তি কোণঠাসা প্রায়
নেমে আসেনা গল্প ব্যতীত।

হারিয়ে যাওয়া ইচ্ছেরা
গুটিসুটি আর দিশেহারা
মন খারাপের অধ্যায়ে
আগামীর মহড়া খাপছাড়া।


দু'টি নয়নে যেন জীবনের গান
ভালবাসার সুরে ভরে আছে প্রাণ
এমন চোখের নজরে আজ মন ভোলে
অফুরন্ত সম্মান, সত্য প্রেমে
ভালবাসার সাগরে ভাসে নয়ন,
যে চোখে দেখি নিজেকে নতুন
সেই চোখেই আজ আমার জীবন।

সেই নয়নের দৃষ্টি জুড়ে
আমার সত্তা যেন উড়ে বেড়ায়
সেই চোখে আমিই সেরা
এই ভালবাসা অনন্ত, শেষ।





শরীরে নরক, শরীরে স্বর্গসুখ
শরীরেই যত অসুখ
শরীরে নাম, শরীরে কাম
শরীরে পূণ্য, শরীরে পাপ।

শরীরী জীবন, শরীরে জীবন
সৃষ্টির জন্য শরীর প্রয়োজন
সৃষ্টি বাঁচাতে যত আয়োজন
শরীর সে তো শরীরের মতন।

দেখ আঙুলের ফাঁক গলে
ছুটে চলে হায়! কেমন জীবন
যুগ থেকে যুগান্তরে
গান বেঁধে দিতে বাঁশিও অম্লান।


সকাল বলে বৃষ্টি এলো
এখন কি করি?
বাতাস বলে ভিজে গেছি
বৃষ্টির গান ধরি!

মনের কথা সুরে গেঁথে 
বাজাই আমার তান,
আমি যে তোর প্রেম পিয়াসী 
তুই যে আমার গান।

ঊষার আকাশ ছন্দ ঝরে
ছাতার নিচে নামিয়ে মন,
মনকে আজ বাঁধা না যায়
প্রভাতের এ কোন সঞ্চালন!


আপন আত্মার শুদ্ধতাই
মনকে বিশুদ্ধ করে,
রুক্ষতা ভুলে মূর্খতা ভুলে
হৃদয় হাসুক জ্ঞানে।

কথার আবেগে কথার বিবেকে
কথার শক্তি দ্বারা,
অন্ধজনও দেখতে পায়
নীল আকাশের তারা।

কথা সুমহান কথা ঈশ্বর
কথাই প্রেমের সুর,
সে কথাই বলো, যে কথায় 
হাসে সোনা ঝরা রোদ্দুর।




দিনাজপুরের ছোট্ট  কবিতা:


 ❤️❤️প্রাণের দিনাজপুর ❤️❤️
     সামীউল ইসলাম শামীম 

ঢাকা থেকে  যখন  বাসে উঠি
শান্ত  হয়ে  রই---
জানালা দিয়ে  উঁকি মারি
প্রাণের দিনাজপুর  কই....

ঐ দেখা যায়  যমুনা 
সিরাজগঞ্জের  আগে.... 
হেলপারকে ডেকে বলি
দিনাজপুর  কতক্ষণ  বাদে... 

সামনে আছে  বগুড়া 
গোবিন্দগঞ্জের আগে...
ঘোড়াঘাট পার হতেই 
মিষ্টি  বাতাস  লাগে... 

ঐ দেখা যায়  বিরামপুর
মনটা হলো ফুরফুরে... 
একটু পরে ঢুকবো আমি
প্রাণের দিনাজপুরে.... 

প্রাণের শহর দেখবো আমি
যাবো  গ্রামের বাড়ি... 
ড্রাইভার কে ডেকে বলি
জলদি চালান গাড়ি.... 

পৌঁছে গেলাম দিনাজপুর 
হৃদয়ে বইছে  উতলা হাওয়া... 
অবশেষে  পূর্ণ  হলো 
দীর্ঘ দিনের  চাওয়া...

থাকি না কেনো বিদেশ বিভুইঁয়ে
কিংবা  অচিনপুর....
হৃদয়ে  আছে  বাংলাদেশ 
❤️প্রাণের দিনাজপুর...❤️.



মনিমালা
সামীউল ইসলাম শামীম 
আঁকছি চোখে মনটাকে
কলম ছুঁয়ে চোখের ঝিলে,
স্বপ্নটাকে দিলাম রেখে
ডায়রির ঐ ভেজা পেইজে।

ঠোঁটের কোণে তোমার মায়া
হৃদয়টা যে গেছে খোয়া,
মানুষ বাঁচে বর্তমানে
মনটা তবু কি খুঁজে চলে!

বুনে বুনে রাখছি তুলে
নানা রঙের সুতোর মাঝে,
দেয়াল জুড়ে স্মৃতির কোলাজ
চিরকুট গুলো ভরছে; দেরাজ!
আকাশ মেঘে ঢাকা,
শাওন ধারা ঝরে।
যেদিন পাশে ছিলে,
সেদিন মনে পড়ে।
সেদিনও এই ক্ষণে,
সজলও ছিল হাওয়া।
কেয়ার বনে তারো ছিল,
যে আশা যাওয়া।
যুঁথির সুরভিতে,
আঙ্গিনা ছিল ভরে।
এখনো সেই স্মৃতি,
বুকেতে বয়ে চলি!
নিজের সাথে আমি;
নিজেই কথা বলি।
স্মৃতি মনিমালা,
সবার চেয়ে দামি।
আজওতা পরে আছি;
ভুলিনি আমি তোমার,
ভিজতে দেখেছিলাম। 
কোনো এক মেঘলা বাদল দিনে,
অপূর্ব রূপ আজও চোখে ভাসে;
আজ এই সন্ধ্যায় শুভক্ষনে।

আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিলাম,
তার ঠোঁটের কোনে মুচকি হাসি। 
আজও মনে পড়ে সেই দিন,
ভুলিনি তোমায় তাই, 
আজও ভালোবাসি।



মানুষ মানুষের জন্য
এই কথা যেও না ভুলে,
একাকী জীবন হয় না পূর্ণ
জীবন যাত্রা হবে অশান্ত।

আলোর ঠিকানা পেতে যদি চাও
মিলেমিশে করো কাজ,
প্রাণের ছোঁয়ায় জীবন ভরবে
মলিন হবে না সাঁঝ।

হৃদয় বাগান রঞ্জিত করো
ফুলে ফুলে দাও ভরে,
সুন্দর ভুবনে যতদিন আছো
চলো হাতে হাত ধরে।


তোর জন্যে পথ চেয়ে রই
খুঁজি না আর অন্য সুখ
একটা জীবন তোর আশাতে
চায় দেখতে আলোর মুখ!

জানি না কখন কোথায়
তোর পিছনে মন ছুটে যায়
তুই আমার নিথর বিকেল
একলা থাকার মৌন সময়।

তুই যতবার বলিস আমায়
তোমায় ভালোবাসি
ততবারই তৃষিত এই মনে
নাচে ময়ূর পক্ষী।


দিগন্তের ওই নীল সীমানা
ডাকছে তোমায় আমায়
পাশাপাশি থাকবো দুজন
সাজবো; দুজনে ভালবাসায়।

মাতাল হবো জোৎস্না রাতে
লুকোচুরি চাঁদের সাথে
বিলীন হবো সুরের মূর্ছনায়
মিশে রবো আমি তোমায়।

মনের সুখে কাটবে সময়
তুমি আমি হবো রঙিন
প্রেমের স্রোতে হারিয়ে যাবো
বন্য প্রেমে সিক্ত রবো।


বৃষ্টিতে, বিবস্ত্র নগরী
শরীরে জলের তুফান
জল হাওয়া মেঘে নাচে
উচ্ছ্বাস, মাটির পরাণ!

অরণ্যে জাগে সুর
ক্লান্তি মুছে আকাশ
আনন্দ ভিখারি হৃদয়
ছুঁয়ে যায় স্বপ্ন নিবাস!

বৃষ্টি ছুঁয়েছে তৃষার্ত বন
পলিমাটি বৃক্ষের ডানা
ভিজা পথ-ঘাট, অলি-গলি
বৃষ্টিতে নেই হারাতে মানা।


অতীতের তিক্ততা যদি
বর্তমানকে করে এলোমেলো
তবে বুঝে নিও, অতীত নয় 
বর্তমানের নিজের তৈরি করা
জড়িয়ে থাকা ফাঁকিতে
তুমি পড়ে আছো!
নিজের দোষ তুমি অন্যকে
দিয়ে শান্তনা খুঁজছো,
বড় ভুলের বাড়তি চাহিদায়
তুমি ঘুরপাক খাচ্ছ
পথ খোঁজো, নিজে বাঁচো
অন্যকেও স্বস্তিতে রাখো।


জগৎ এক বিশাল মঞ্চ
এ মঞ্চে আছে আনন্দ, বেদনা
ভালবাসা, বিচ্ছেদ।
সময়ের পরিবর্তনে
জীবন চলে নিজস্ব গতিতে।

জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে রয়েছে
অপার সৌন্দর্য, গভীর তাৎপর্য।
ভালবাসার মিষ্টি শব্দ
বন্ধুত্বের আন্তরিকা
জগৎ সংসারকে করে তোলে
আরো মধুর ও রঙিন
প্রতিটি মুহূর্তকে করে তোলে জীবন্ত।


জানলায় পড়ে এসে চাঁদের আলো
আঁধার ঠেলে মায়াবী ছায়া
অন্তরে পুষে রাখা কতখানি মায়া
কাছে এসে দেখে যাও কত ভালবাসা,
এসো বসি কিছুক্ষণ
রাতের খোলা জানলায়
কিছুক্ষণ ভুলে থাকি
আঁধার আকাশ যা অকারণ ভাবায়!
দিন শেষে রাত আসে
প্রতিটি বাড়ির ছাদে
সারাদিনের কর্মই বলে-
দুঃখ, না-কি শান্তি আসবে।


পড়ন্ত বিকেলে বারান্দার কোনে;
লিখতে বসেছি খাতা-কলম নিয়ে,
শব্দ গুলো ধরতে গেলেই 
যাচ্ছে উড়ে প্রজাপতি হয়ে।

মিষ্টি বাতাস আর পাখিদের গানে
মনটা কোথায় হারালো কে জানে;
দিনশেষে গোধূলি বেলায়, তুমি ছাড়া 
কোনো শব্দ কলমে দেয় না ধরা।


আপন মনে এখন আমি
ভাবছি তোমার কথা,
ডায়রির পাতায় লিখছি বসে
না বলা সব ভাষা।

আমার খুশি ফুটে উঠে-
তোমার ছবি দেখে,
ভাবি তখন তুমিও কি
দেখছ আমায় এমন করে।

আয়না ধরে যখনই আমি 
মনের মতো সাজি;
আনমনে তখন আমি
তোমার মুখটা দেখি।


ভোর হলেই ছুটছে পথ
চলে ইচ্ছে টানে;
চলার গতি থামবে গিয়ে
রাত্রি হবার পরে।

বিবেক পথের সাথী হলে
করবে জগৎ জয়,
বিচিত্র এই বাঁচার খেলায়
আঁধার আলোকময়।

জগতের এই মায়াবী মেলায়
বহু পথের আনাগোনা,
উল্টো সিধে সকল পথেই
প্রাণের লেনা-দেনা।


তোমার কাছে এক মায়া আছে
স্নিগ্ধ এক রাতের মায়া
গাঢ় রাতের এক ছায়া
গতিশীল প্রেমের অনন্ত রূপ।

জোছনা রাতের শেষদিকে
গহীন বনে এক পাখি ডাকে
তোমার চোখ, তোমার চাহনি
তেমনি আঁচড় কাটে মনে।

মনের গভীরে খুব গভীরে
চাঁদের মাঝে প্রেম ছায়া
জীবনের অঙ্গ বয়ে চলে
সবকে সাথী কোরে, ভালবেসে।



       নিখোঁজ
সামীউল ইসলাম শামীম
একটু হলেই হারিয়ে যেতাম,
কেমনে নিতাম খোঁজ।
বুক পাঁজরে তোর ছবিটা,
রাখি আমি রোঁজ।

শেষ দেখাটাও বন্ধ করলি,
কী দোষ ছিল তাতে।
তোর কথাটি একলা বসে,
ভাবি অশ্রুপ্রাতে।

শেষ অরুতে কথা ছিল,
রাখবি আমায় কাছে?
তোমায় ছেড়ে এখন আমি,
ভালোই আছি বেঁচে।

আজও আমার অশ্রু ঝরে,
তোমায় ভালোবাসি।
এই আমিটা হাটবে না আর,
তোমার পাশাপাশি।

চুপিসারে সরে যাবো,
আজ কিংবা কাল।
তোর সাথে থাকতে চেয়েছি,
আমি হাজার সাল।




ক্লান্তিহীন সকাল।
সামীউল ইসলাম শামীম 
চায়ের পেয়ালা ধরে ..
সকাল হাসে।
এক মুঠো রোদ ঝরে - 
জানালা-ফোকাসে।

ক্লান্তিহীন যায় চলে ... 
ঐ ঘড়ির কাঁটা। 
সঙ্গে ফর্দ আছে ঠিক, 
মেপে পথ হাঁটা।
ভর দুপুরে সূর্য ডুবে যায় 
মেঘের আড়ালে, 
রাতের কৌশলী হাতে লুন্ঠিত হয়
অপরাহ্ণ বেলা,
এ যেন সময়ের প্রবঞ্চনা...! 

সময়ের ছায়া দীর্ঘ হয়
স্মৃতির প্রহরায়, 
অন্ধ রাতের নির্জনে
আড়াল করি নিজেকে, 
ঘুমাই অবিশ্বাসী রাতের বিছানায়...!
আমি শুধু বন্ধু তোমার
                  ছোট পরিচয়,, 
     অনেক খুঁজে পেয়েছি তোমায়
                  তাই হারাবার ভয় । 
     নইকো আমি হীরের টুকরো 
                  নইবা অনেক দামি, 
     মনে একটু জায়গা দিও
                  তাতেই থাকবো আমি ।।
ভরিয়ে দিও ভালোবাসা 
একটু বেশি মনে প্রানে,
যেন চরম দুঃখের দিনেও 
তোমার স্মৃতি আমার ঠোঁটে 
এক চিলতি হাসি আনে। 
 
আগলে রেখো যতন করে
এমন করে হৃদয় মাঝে 
যেন আঘাত পেলেও তোমায় ভাবে 
তোমায় খোঁজে মনের টানে।
প্রকৃতির সবুজ বনে প্রহরে প্রহরে কত যে উৎসব-
তোমার চোখে তা’ পড়েনি কখনও জানি বিলক্ষণ!
প্রাত্যহিক বিধুরতায় কেটে যায় ধূসর কালবেলা,
হাতের শিরায় তবু জোৎস্নার পরশ ছিল প্রতিক্ষণ!
অস্তগামী চাঁদের আঁচল ছুঁয়ে সমৃদ্ধ বাঁশীর তান,
অস্ফুট স্বরে বলছে, শোনাবো কি, বিরহের গান;
প্রত্যাশা অনন্ত হতেই পারে
প্রাপ্তি কখনও অনন্ত হয়না,
তাই কি পেলাম, পেলাম না
এর জন্য এত ভাবিনা।

তোমার আলোয় উন্মুখ হয়ে
থাকব বসে সমস্ত জীবন,
তোমায়-আমায় মিলেই তো;
জীবন দেখবে পৃথিবী নূতন।

এই অনন্ত প্রত্যাশার
নাম দিয়েছে কেউ প্রতীক্ষা!
ওই প্রতীক্ষাই আসলে
আমাদের জীবনের গল্পটা!




      মাটির দেহ
সামীউল ইসলাম শামীম 
আমি না থাকলে পড়ে,
থাকবে রে যে জন।
স্বাদের দেহ চলে গেলে,
পড়ে রবে মন।

বন্ধু রে-
তুমি যখন পড়বে লুটায়,
নষ্ট হবে পার্টস।
সাড়ে তিন হাত মাটির ভিতর,
হবে তোমার বাস।

মিথ্যা মিথ্যা ছেড়ে দেওরে,
মাপা হবে সব।
এক কদম তো পারবে নারে,
দিতে হবে জব।

মাটির দেহ মাটি খাবে,
ভেঙে ও চুড়ে।
সময় থাকতে মূল্য দেও তো,
ও গো বন্ধু রে।
(১ম অংশ)

সাড়ে তিন হাত মাটি হবে,
হবে রে যে জন।
স্বাধের দেহ চলে যাবে,
পড়ে রবে মন।

আর কতকাল ওহে বিদি,
পড়ে রবে নিরবধি।
একলা ঘরে শুয়ে রবে,
যাবে না আত্মীয় স্বজন।

আর কতদিন জুলুম করবে,
দেও রে অবসান।
স্বাধের দেহ চলে যাবে,
পড়ে রবে মন।
(শেষ অংশ)




যেখানে বৃষ্টি নেই,
সেখানে স্রোত;
 বিরামহীন মরুভূমি।
সামীউল ইসলাম শামীম





জীবনের কোন্ বাঁকে ঠিক-
কি আছে কে জানে!
তবু তো রোজ বেরতে হয়;
নতুন অভিযানে।

হাওয়া আসে, মন ভাসে;
আঙিনায় মন হাসে।
চুপিচুপি কেউ আসে,
বলে যায়- ভালোবাসে..

পোড়া মন তবু হায়
কি যে কোথা খুঁজে যায়!
চুপিচুপি ভালোবাসা খোঁজে অভিধানে
তবু তো বেরতে হয় রোজ অভিযানে।



ভেবেছিলেম হারিয়ে যাবো
আমার মতোন করে
নিঃশব্দে অচেনা
কোনো এক পথ ধরে।

মাঝপথে পেলেম তোমায়
খোদার অশেষ রহমতে
চুপিসারে পড়লে ঢুকে
আমার মনের গহীন কোণে!

ছিলেম আমি খুব আবেগে
স্বপ্ন সুখের খোঁজে
তোমায় পেয়ে হারিয়ে গেলেম;
শুদ্ধ ভালোবাসার ঘোরে।


আমি নির্মল বাতাসে
ভালোবাসার শুভ্রতা ছড়াই
আমি তোমার একাকিত্বের সঙ্গী
মনের বীণায় অচেনা সুরের বাঁশি।
আমি তোমার মুখের হাসি
তোমার কবিতার শব্দ রাশি
শুধু কবিতায় নয়
তোমার হৃদয়েও বাসা বাঁধি।
আমার এলোকেশী চুলের সৌন্দর্যে
তোমারই ভূমিকা রাখি
আমি তোমার শুভাকাঙ্খী
শুভ্র বেলি বলছি।


লক্ষ আশা বেঁচে থাকুক
সকল প্রাণের মাঝে
হৃদয় প্রদীপ আলো ছড়াক
সকাল দুপুর সাঁঝে।

স্নিগ্ধ সুরে গেয়ে উঠুক সবাই
জীবন বীণার সুর
রামধনু রং ছড়িয়ে আশা
হাসুক মিষ্টি ভোর।

সত্য হাসুক ভোরের রবি
জীবন চলুক খাসা
সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে
নিত্য মনোআশা।



পুরুষ মানেই একটা রহস্যময় চরিত্র,
কারণ, তারা নিজের জন্য কিছু করে না।
যা করে সব পরিবারের জন্য,
মৃত্যু পর্যন্ত যুদ্ধ করে যায়।
সামীউল ইসলাম শামীম




শূন্য থাকে যে,
পূর্ণে থাকে সে।
আর, পূর্ণে থাকে যে,
শূন্য হারায় সে।
সামীউল ইসলাম শামীম


শূন্য আর পূর্ণ বিপরীত হলেও,
তারা পাশাপাশি থাকে।
সামীউল ইসলাম শামীম


কবে যে দেখা দিবে আমায়,
ছোট্ট অক্ষরের নীড়ে।
কত স্বপ্ন ভূনেছি রোজ,
শুধুই তোমাকে ঘিরে।

সামীউল ইসলাম শামীম




꧁꧂বাবা তুমি মহান ✿︎✿︎✿︎
               তুমি ছারতে পারোনা মায়া ,,,,
           তাইতো তুমি মৃত্যুর আগে পর্যন্ত ♥︎♥︎♥︎
                     হয়ে থাকো ছায়া । 
             নিজে কথা না ভেবে তুমি 𖣔𖣔𖣔
                   অন্যের কথা ভাবো ,,,,
             তোমার থেকে আর বড় বীর ❁❁❁
                     আমরা কোথায় পাবো । 
               সকল দুশ্চিন্তা মাথায় নিয়ে 𖣘𖣘𖣘
                      ঘুরতে তুমি পারো ,,,,
               নিজের কথা তুমি কেনো ❀❀❀
                   ভেবোনা একটি বারো । 
             নিজের সবকিছু বিলিয়ে দিয়ে ᯾᯾᯾
                      অন্যকে খুশি করো ,,,,
                 তাইতো তুমি ছোট গাঞ্জি ☘︎☘︎☘︎
                     আর ছিরা ধুতি পরো । 
                অন্যের সুখে হও সুখী ꕥꕥꕥ
                     আর অন্যের দুঃখে দুঃখী ,,,,
                 সবকিছু তুমি ছেরে দাও বাবা ᯽᯽᯽
                      দেখবে তুমিও হবে সুখী । 
                  তবু তুমি অবুঝের মতো 𑁍𑁍𑁍
                          করে যাও কষ্ট ,,,,
                 তাইতো তুমি আমাদের কাছে ❤︎❤︎❤︎
                       সবার থেকে শ্রেষ্ঠ।



মুখে মুখে সবাই আপন,
মনে মনে নয়।
কে আপন কে পর
কাজের পরিচয়।
মধুর সুরে করা যায়
ভালোবাসার অভিনয়।
ভালোবাসি বলা সহজ
ভালোবাসা নয়।


চাঁদের ঘরে জোছনা বকুল,
ঘুমের ভেতর রোজ -
শান্তি খুঁজে বেড়াও, তবু 
কে কার রাখে খোঁজ!

খোঁজ রেখেছে মলিন বালিশ 
সঙ্গী প্রতিরাত!
ভালো রাখায় থাকুক জেগে 
আলোর সুপ্রভাত।


মৃত্যু রে তুই আছিস বলেই 
বাঁচার ইচ্ছে জাগে,
মন ভাঙলেই বড্ড তোকে 
আপন আপন লাগে! 

একদিন তো তোর ঘরেতেই
পাতবো ঘুমের কাঁথা,
কি দারুণ এক ঘুমের শহর
রইবে চোখে গাঁথা!


ডেকে ডেকে তোকে ক্লান্ত হয়েছি
হেঁটে গেলি কার সাথে
অভিমানে নয় হারালি রে তুই 
কি দারুণ অজুহাতে! 

ঠকে গিয়ে আজ ভালোই আছি রে
নেই আর অগোছালো
এই পৃথিবীতে ঠকানোর চেয়ে 
ঠকে যাওয়া ঢের ভালো। 💛👍


যে পথে হাজার কষ্ট বেদনা 
ব্যর্থতা নিয়ে আসে
সে পথেই রোজ ছুটতে মানুষ 
বড়ো বেশি ভালোবাসে। 

কান্নার নেশা দু চোখের কোনে
ব্যস্ততা খোঁজা খুঁজি,
আজ মানুষ বলতে অভিনয়ে মাখা 
হাসিমুখটাকে বুঝি। 🌤🥀


দুঃখে বিপদে যাদের পাশেতে 
ছিলাম বন্ধু হয়ে
তারাই আজকে চিনতে পারে না 
না চেনার অভিনয়ে। 

কেউ কারো নয় শুধু অভিনয় 
স্বার্থের ধূলো পথে
আলো নিভে এলে সবাই একলা 
সময়ের মতামতে। 🖤🥀


মুখ নেই আজ মুখোশের ভিড়ে 
ব্যস্ততা শুধু আছে
প্রিয়জন নামে যারা ছিল পাশে
তারাও বদলে গেছে!

হারানো মানুষ খুঁজে পাওয়া যায়
দিনবদলের ঝড়ে,
বদলে যাওয়া সে মানুষগুলোকে 
খুঁজবো কেমন করে! 🌙🥀


কাঁধের পাশে কাঁধ মিলিয়ে
হাঁটতে যাওয়ার শখ।
সুখ খোঁজা সেই মানুষগুলোর 
শান্তিতে বন্ধক! 

পথেই আছে, তবুও ঠিক 
পথের থাকে খোঁজ।
সেই পথিক সাজা মানুষগুলোই 
হারিয়ে যায় রোজ। 🪜🥀


মিথ্যে বলার এক পৃথিবী
একটা আকাশ ভীষণ কালো,
লুকিয়ে রাখা বন্য স্বভাব
এক জীবনে দেয় না আলো।

সেই পৃথিবী ভাবছে এখন
মিথ্যে জীবন গেছেই জিতে,
পড়বে মনে - বলতো যে কেউ
ভুলগুলো সব শুধরে নিতে।

দেখবে যখন চলার পথে
এক মানুষের শূন্য দু হাত,
পুড়বে তুমি, জ্বলবে শুধু
সইতে হবে ভীষণ আঘাত!

বিশ্বাসটাও যাবে ভেঙে
সম্পর্কটা পথের ধূলো!
জ্বলবে তোমার বুকের পাঁজর
আদর ভাঙা মিথ্যেগুলো।


সেপ্টিপিনটা হারিয়ে যেতেই 
কান্না এত ঝরে
মনের মানুষ হারিয়ে গেলে 
বাঁচবি কেমন করে! 

বেঁচে থাকা নয় রে সোজা 
আবেগ স্রোতে ভেসে
আজ বেঁচে থেকেও কত্ত মানুষ 
লাশ হয়ে যায় শেষে! 👈


সকালের রোদে তোর হাসিমুখ 
ঘাসবিছানাতে আঁকা, 
পাখিদের মতো পাতার আড়ালে 
একটু লুকিয়ে দেখা।

ছোঁব না সে রোদ, যদি বা হঠাৎ 
ঢেকে যায় মেঘে মেঘে! 
কেন ছুঁলে তুমি?- আঁচল সরিয়ে 
বলবি হঠাত্‌ই রেগে।

তাই তো এখনও আড়ালেই থাকি 
কিছু নেই, কি বা দেবো! 
মরণের পর তোর কাছাকাছি 
পাখির জন্ম নেবো।






একদিন ছুটি হবে-
অনেক দূরে যাব।
ইচ্ছে টিয়ে ফুল সুটিয়ে;
আনন্দে হারাবো।
একদিন ছুটি হবে-
নীল আকাশে উড়বো।
মুক্ত হয়ে ছুটে বেড়াবো,
পাখি হয়ে উড়বো।
সামীউল ইসলাম শামীম



সবার আগে বিশ্বাস,
ফুরিয়ে যাবে নিশ্বাস।
সবই হবে পর,
মাটিই হবে ঘর।
সামীউল ইসলাম শামীম



কে কী করলো,
         সেটা বড় বিষয় নয়।
আমি কী করতে পারলাম,
          সেটাই মূখ্য বিষয়।
সামীউল ইসলাম শামীম


বাস্তবতা বড় কঠিন,
কঠিন হলো মন।
তার চেয়ে বেশি কঠিন,
চেনা প্রিয় জন।
সামীউল ইসলাম শামীম


সুন্দর চেহারার দিকে,
গুরুত্ব না দিয়ে।
সুন্দর আচরণ এবং সততার,
দিকে গুরুত্ব দেন।
মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে সুন্দর,
দেহের পরিসমাপ্তি ঘটবে।
ঘটবে না শুধু,
সুন্দর আচরণ এবং সততার।
সামীউল ইসলাম শামীম


তুমি সব কাজে বিজয়ী হলে,
নিজেকে হারিয়ে ফেলবে।
আর কিছু কাজে পরাজিত হলে,
নিজেকে খুঁজবে।
সামীউল ইসলাম শামীম





Popularpoetswriter

আমি আমার অবসর সময়ে কবিতা লিখতে অনেক পছন্দ করি।

Post a Comment

Previous Post Next Post