মেঘমালার নৃত্য
সামীউল ইসলাম শামীম
আকাশজুড়ে মেঘমালার নৃত্য,
গোধূলির আলোতে সেজেছে তাদের গতি।
তারা একসাথে বুনছে এক স্বপ্নিল ছন্দ,
যেন প্রকৃতির রঙিন তুলি খেলে যায় নিরবধি।
সাদা-কালো, ধূসর আর রক্তিম ছায়া,
মেঘের গায়ে আঁকা অসীমের কাব্য।
এক মেঘ ছুঁয়ে যায় অন্যের হৃদয়,
তাদের নৃত্যে জেগে ওঠে বৃষ্টি-সুর।
বাতাসের তালে তাল মেলায় মেঘের ঝাঁক,
ঝড়ের ডাকও মাঝে মাঝে ফিসফিস করে।
আকাশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে,
তাদের নৃত্য যেন এক চিরন্তন প্রবাহ।
কখনো তারা ঘন হয়, আঁধার ঢাকে সব,
কখনো বা হালকা, স্নিগ্ধতার বার্তা বয়ে আনে।
মেঘমালার ছন্দে হারিয়ে যায় সময়,
তারা বলে, জীবনও এমনই—চলমান ও অজানা।
এই নৃত্য এক রহস্যময় ভাষা,
যা শুধু আকাশ আর মেঘই বোঝে।
তবু হৃদয়ে রেখে যায় সুরের ছোঁয়া,
মেঘমালার নৃত্য, এক চিরকালীন মোহ।
মেঘমালার নৃত্য পর্ব -২
নীল আকাশের প্রান্তে মেঘমালার মেলা,
ছায়া-আলোয় তারা গড়ে তোলা দিগন্তের খেলা।
হাওয়ার সুরে তাল মিলিয়ে,
মেঘেরা করে নৃত্য শুরুর গল্প লেখা।
কখনো তাদের রূপ সাদা তুলোর মতো,
কখনো গাঢ় ধূসর, আঁধার ঘনানো।
আলো-আঁধারির মাঝে তারা বুনে ছন্দ,
যেন অজানা সুরে জাগে প্রকৃতির আনন্দ।
মাঝে মাঝে বজ্রের ডাক, নাচের তালে বাজে,
বিদ্যুৎ যেন আলোর রেখা এঁকে যায় মেঘের মাঝখানে।
বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ে মাটির বুকে শান্তি,
নদী, পুকুর, আর সবুজ খুঁজে পায় নবজীবনের গান।
মেঘমালার নাচ থামে না কখনো,
দিনের শেষে তারা মিশে যায় সন্ধ্যার রংধনুতে।
তাদের প্রতিটি পদক্ষেপে থাকে জীবনের পাঠ,
আলো, অন্ধকার, বৃষ্টি—সবই মিশে একে গঠন করে।
মেঘমালার নৃত্য, আকাশের কাব্য,
প্রকৃতির হাতে লেখা এক চিরন্তন মাধুর্য।
তারা বলে যায়, প্রতিটি মুহূর্তই সুরের মতো,
চলমান, অনন্ত, আর গভীর মুগ্ধতায় ভরা।
.png)